"কম্পিউটার" বিভাগে করেছেন

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন
দোয়েল ল্যাপটপের দাম কম হওয়ার কারনঃ একটি কোম্পানি যখন প্রসেসর তৈরি করে তখন কঠোর মান নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা করে। কিন্তু তবুও অনেক মালের মান কম হতে পারে বা ত্রুটি থাকতে পারে। যেমন ধরুন ইট, এক নাম্বার দুই নাম্বার দুটোই কিন্তু একই, পার্থক্য হচ্ছে এক নাম্বারটা ভাল পুড়েছে।

তেমনি হাজার প্রসেসরের ভেতর যেটির মান সামান্য কম হয় সেটি ফেলে না দিয়া কম দামে বিক্রি হয়, কাজেই এই ধরনের প্রসেসর থাকলে দাম কমবেই।

মাদারবোর্ডে সকল সুবিধা থাকেনা, যেমন তরঙ্গ প্রটেক্টর, সার্জে প্রটেক্টর, থাকেনা, ক্যাপাসিটর সলিড না হয়ে পেস্ট হয়, আবার এর বেতরের প্লেট ভাল ধাতুর না করে সস্তা এলুমিনিয়াম এর করা হয়। সোলজারিং গুলো খুব ভাল করা হয়না, বডি নর্মাল মানের প্লাস্টিক দিয়া তৈরি। ডিসপ্লে পুরানা মডেলের এলসিডি এবং মার্কারি ব্যবহার করা হয়েছে।

ব্যাটারীর উপাদান উচ্চ মানের নয়।

এছাড়া আরও একটা বিস্ময়কর পার্থক্য আছে চিপে। যেমন সিলিকন ও জার্মেনিয়াম একই কাজ করে। এক্ষেত্রে সিলিকনের বদলে জার্মেনিয়াম ব্যবহার হয়, আবার এর সাথে যে ভেজাল ডোপিং করতে হয় সেক্ষেত্রে বিশমাথের বদলে আর্সেনিক, এই ধরনের বিকল্প সস্তা উপাদান দিয়া তৈরি জিনিস ব্যবহারের ফলে দ্রব্যের দাম কম হয়। অনেকেই ভাবেন কম দামের জিনিসে মনে হয় সার্কিট আলাদা, আসলে সার্কিট আলাদা না, কিন্তু সস্তা উপাদান ও কম শ্রমে অল্প সময়ে বেশি উৎপাদন করা হয় নিম্ন মান করে তাই দাম কম হয়। যেমন রস জালিয়ে গুড় বানাতে জ্বালানী বাচাও, সময় শ্রম বাচাও, হবে ঝোলা গুড়, কিন্তু এটি মিষ্টি, আবার শ্রম, সময়, জালানী বেশি পুড়িয়ে আসল আঠালো বা ঘন গুড় বা দানাগুড় বানানো হয়।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

3 জন সক্রিয় সদস্য
0 জন নিবন্ধিত সদস্য 3 জন অতিথি
আজকে পরিদর্শন : 6569
...