"শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা" বিভাগে করেছেন

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন
পালসরেটঃ প্রকৃতপক্ষে পালসরেট হচ্ছে হৃদপিন্ডের পালসের গতির সাথে আমাদের দেহের শিরা উপশিরায় একটি সংকোচন ও প্রসারন সৃষ্টি হয়। একে পালস রেট বলে। আমরা হাত চেপে নারীর গতি পরিক্ষা করি এটি পালসরেট।

পালসরেট একটি নির্দিষ্ট ছন্দে থাকা উত্তম। কিন্তু কখনো কখনো এটি বেড়ে যায়। যেমন কষ্টের কাজ করলে, বেয়াম করলে বা ভয় পেলে পালসরেট বেড়ে যায়। যদি এই হটাৎ বেড়ে যাওয়া পালসরেট শরীর গ্রহন করতে না পারে তবে হার্টফেইল জনিত অপঘাতের সম্ভাবনা থাকে।

পালসরেটের উপর বেয়ামের প্রভাবঃ-

বেয়ামের মাধ্যমে পালসরেট বাড়িয়ে অভ্যাসে পরিণত করলে আমাদের দেহ ও ইমিউন তা গ্রহন করে ভারসাম্যে পরিণত করে। এতে অধিক কাজ বা পরিশ্রমের সময় হঠাৎ পালসরেট বৃদ্ধি পায়না, ধীরে ধীরে বাড়লেও শরীর তা নিয়ন্ত্রন করতে পারে বলে ক্ষতি হয়না। ভয়ভীতি ইত্যাদি থেকে আমাদের পক্ষঘাত থেকে রক্ষা করে। তাই বেয়ামের মাধ্যমে পালসরেট এর অভ্যাস করানো একান্ত প্রয়োজন। এতে পরিশ্রমের সময় কষ্ট কম হয় এবং দ্রুত ক্লান্তি দূর করা যায়। যেমন ২০০ মিটার দৌড় প্রতিযোগীতা করলে দেহে পালস রেট বেড়ে যাবে। এখন যদি এই পালসরেট দ্রুত কমে স্বাভাবিকে না আসে তবে ক্লান্তিও দূর হতে অনেক সময় লাগবে। আর ক্লান্তি না গেলে পরবররী কাজের জন্য তৈরি হওয়া যায়না। বেয়ামের ফলে পালসরেটের অভ্যাস করা হলে প্রতিযোগীতা বা পরিশ্রমের পর দ্রুত ক্লান্তি দূর হয়ে পরবর্তী কাজের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া যায়। এতে হার্টও ভাল সুস্থ্য সবল থাকে। দেহে প্রচুর কর্মক্ষমতা সৃষ্টি হয়।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

7 জন সক্রিয় সদস্য
0 জন নিবন্ধিত সদস্য 7 জন অতিথি
আজকে পরিদর্শন : 6693
...