0 টি ভোট
"নবম-দশম শ্রেণি" বিভাগে করেছেন (3.1k পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (3.1k পয়েন্ট)
উপসনাঃ আক্ষরিক অর্থে উপসনা বলতে ঈশ্বরের পাশে অবস্থান করাকে বোঝায়। 

 হিন্দু ধর্মের মূলে রয়েছে ভগবান স্বয়ং। একারনে ভগবানের সান্নিধ্য লাভ প্রত্যেক মানুষের এক পরম চাওয়া। কিন্তু কিভাবে ভগবানের সান্নিধ্য লাভ করে তাহার সন্তষ্টি অর্জন করা যায়, সেই সকল উপায় বা পন্থাকে উপসনা বলে। অর্থাৎ উপসনার দ্বারা ভগবানের সান্নিধ্য লাভ করা যায়। 

উপসনার প্রকারভেদঃ পবিত্র ধর্মগ্রন্থ বেদে ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের বিভিন্ন পথের কথা উল্লেখ রয়েছে। উপসনা হচ্ছে ঈশ্বরের সান্নিধ্য লাভের সেই পথ। 

উপসনা সাধারণত দুই ধরণের হয়ে থাকে। যথাঃ-

১। সাকার উপসনা বা প্রতিক উপসনাঃ প্রতিক শব্দের অর্থ চিহ্ন বা আকার। মূলতু এ ধরণের উপসনা বিভিন্ন দেব-দেবীর প্রতিমাকে বা বিষ্ণু, শিব, ব্রহ্মা, স্বরসতী, লক্ষ্মী, মনসাকে উদ্দেশ্য করে করা হয়। প্রতিক উপসনাকে সগুন উপসনা বা ভক্তিযোগ উপসনা বলা হয়। সগুন রুপে ঈশ্বর সাকাররুপে অবস্থান করেন। প্রতিক উপসনাকে ঈশ্বরের সগুন উপসনা হাবে বিবেচনা করা হয়। 

২। নিরাকার উপসনা বা নির্গুন উপসনাঃ নিরাকার শব্দের অর্থ যাহার কোন আকার নাই। মূলত এ ধরণের উপসনা ধ্যান সাধণা রুপে হয়ে থাকে। এতে ঈশ্বরের প্রতি হৃদয় বা আন্তরিক ভাবে ঈশ্বরকে অনুভব করার মাধ্যমে উপসনা করা হয়। জ্ঞানযোগ নিরাকার উপসনার একটি অংশ। এতে সৃষ্টার প্রতি ব্যক্তির সকল জ্ঞানের বিবেচনায় নিজেকে ঈশ্বরের উপর পূর্ণ সপে দেওয়া হয় যাতে ইশ্বর সন্তষ্টি অর্জন করেন যে, ব্যক্তি সর্বদা যেকোন মূহুর্তে সকল কিছু দিয়া তাহার সেবা করছে। 

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
0 টি উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
0 টি উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
04 জুন 2020 "গণিত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন ABLE (204 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
0 টি উত্তর
3 Online Users
0 Member 3 Guest
Today Visits : 9174
Yesterday Visits : 2293
Total Visits : 5086886
...