0 টি ভোট
"রসায়ন" বিভাগে করেছেন (115 পয়েন্ট)
বন্ধ করেছেন
বন্ধ

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (3.6k পয়েন্ট)
নির্বাচিত করেছেন
 
সর্বোত্তম উত্তর
হ্যা ডিটার্জেন্ট বায়ু দূষন ঘটায়, এছাড়া এটি পানি দূষন, পরিবেশ দূষন, এমনকি কিছু কিছু ডিটার্জেন্ট হাতে বা শরীরে এলার্জিজনিত সমস্যার সৃষ্টি করে।

ডিটার্জেন্ট সরাসরি এর ফেনা সূর্যালোকের প্রভাবে বাতাসে ভেঙ্গে উপাদান পৃথক করে দেয় যা বায়ুকে দূষিত করে।

আমাদের দেশে ডিটারজেন্ট তৈরির ফর্মূলা মানা হয়না, এ জন্য আরও বেশী বায়ু দূষনের উপাদান ছড়ায়। বাংলাদেশে প্রচলিত প্রায় সব ব্র্যান্ডের ডিটারজেন্টে এমন কিছু উপাদান শনাক্ত হয়েছে যা ত্বকের এলার্জি, চর্মরোগ, কিডনির রোগ সৃষ্টি করতে পারে। এমনকি জেনেটিক মিউটেশনের ঘটাতেও পারে। এছাড়া এই ডিটারজেন্ট পানিতে মিশে তা সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির সঙ্গে বিক্রিয়া করে এর রাসায়নিক গঠন ভেঙে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী মারাত্মক উপাদান তৈরি করতে পারে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. নাহিন মোস্তফা নিলয়ের গবেষণায় এসব তথ্য উঠে আসে। সেখানে তিনি দেখতে পান বেশিরভাগ ডিটারজেন্টেই রয়েছে ক্ষতিকর ফ্লুরোসেন্ট হোয়াইটেনিং এজেন্ট। এটি টিনোপোল নামেও পরিচিত। এটি মূলত কাপড়কে সাদা ও উজ্জ্বলতা বাড়াতে ব্যবহার হয়। বাজারে যেসব ডিটারজেন্ট বিক্রি হচ্ছে, সেগুলোর বেশিরভাগ এই উপাদানটির পরিমাণ আদর্শ মাত্রার চাইতে অনেক বেশি বলে জানান মি. নিলয়।। মূলত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের বিভিন্ন জলাশয়ের পানির মান পরীক্ষা করতে গিয়ে ফ্লুরোসেন্ট হোয়াইটেনিং এজেন্টের সন্ধান পান তিনি। সেই থেকেই তিনি গবেষণা শুরু করেন। পরে ইউজিসির একটি প্রকল্পে কাজ করতে গিয়ে তিনি পদ্মা নদীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজের কাছের পানির নমুনায় এই এজেন্ট শনাক্ত করেন। কাপড় পরিস্কারের জন্য বেশ জনপ্রিয় ডিটারজেন্ট পাউডার। কাপড় পরিস্কারের জন্য বেশ জনপ্রিয় ডিটারজেন্ট পাউডার। তার ধারণা, দেশের অন্যান্য নদীতেও এই উপাদান পাওয়া যেতে পারে। কারণ বাংলাদেশের বাসাবাড়ি ও শিল্পকারখানায় কাপড় ধোয়ার এই রাসায়নিক-যুক্ত পানি সরাসরি নদীনালা ও জলাশয়ে ফেলা হয়। এই রাসায়নিক পদার্থ এতটাই ক্ষতিকর যে পানি শোধনাগারেও তা সম্পূর্ণরূপে দূর করা যায় না। যুক্তরাষ্ট্রের একটি সর্বাধুনিক ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টও পানি থেকে পুরোপুরি ফ্লুরোসেন্ট হোয়াইটেনিং এজেন্ট পরিশোধন করতে পারেনি। বরং পানি শোধনের জন্য যে রাসায়নিক ব্যবহৃত হয়, উল্টো সেটার সঙ্গে বিক্রিয়ার করে বাই-প্রোডাক্ট হিসেবে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী পদার্থ তৈরি হতে পারে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর
16 ডিসেম্বর 2020 "কৃষি, মৃত্তিকা ও আবহাওয়া" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন আলো (661 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
2 টি উত্তর
03 জুলাই "রসায়ন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Tasmia Islam (159 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর
25 এপ্রিল "রসায়ন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন রিপন (3.1k পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর
25 এপ্রিল "রসায়ন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন রিপন (3.1k পয়েন্ট)
3 Online Users
0 Member 3 Guest
Today Visits : 9094
Yesterday Visits : 2293
Total Visits : 5086806
...