0 টি ভোট
"ইতিহাস" বিভাগে করেছেন (390 পয়েন্ট)
করেছেন (3.1k পয়েন্ট)
কোন ক্লাসের প্রশ্ন এটি? উদ্দিপক আছে কিনা? 
করেছেন (390 পয়েন্ট)
বিশ্বের সবথেকে নোংরা ব্যক্তি আমো হাজি।

এটি কোনো ক্লাসের প্রশ্ন নয়।

জানার জন্য জিজ্ঞাসা করেছি।

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (3.1k পয়েন্ট)

আমো হাজি ইরানের একজন ব্যক্তি। তার বয়স ৮০ বছর। তিনি ২০ বছর বয়স থেকে পরবর্তী ৬০ বছরে একবারও গোসল না করায় তাকে বিশ্বের সবচেয়ে নোংরা ব্যক্তি হিসাবে অভিহিতকরা হয়। এটি অন্যন্য স্বাভাবিক মানুষের আচরণের মত নয়। কারন সকল মানুষই সাধারণত গোসল করে। হয়ত দু পাচ দিন বা শীত প্রধান দেশে ২০-৩০ দিনও গোসল নাও করতে পারে কিন্তু তারপর অবশ্যই গোসল করে। এত বড় দীর্ঘ সময় গোসল না করা ব্যক্তি স্বাভাবিক পাওয়া যায়না। আর প্রাণীদের সম্পর্কে যতদূর জানা যায়, ৫০% প্রাণী নিজের অনুভব থেকে গোসল করে। আবার অনেক প্রাণীর প্রাকৃতিক ভাবে গোসল হয়ে যায়। এই দিক থেকে ৭০% প্রাণী গোসল করে। 

কাজেই আমো হাজীর এই গোসল বিমূখ মানসিকতা কোন এক কারন থেকেই হয়েছিল বলে মনেকরা হয়। 

তিনি শুধু ওসল নয়, অন্যন্য অনেক ব্যাপারে অন্যদের থেকে আলাদা ব্যতিক্রমী জীবনযাপন করতেন। তিনি মাটিতে কবরের মত গর্ত খুড়ে বসবাস করতেন, কখনো বা ভাঙ্গা ইট খোলা দিয়া দেওয়ালের মত সাজিয়ে খুপড়ী তৈরি করে তার ভেতর বসবাস করেন। মনোবিজ্ঞানী, ও ডাক্তার রা বলেন তিনি কোন এক মানসিক আঘাত থেকে এই ধরনের জীবন বেছে নিয়েছে। 

কিন্তু কি ছিল সেই আঘাত তা সঠিক ভাবে কেউই বলতে পারেনি। ২০ বছর বয়সের আগে তার স্বাভাবিক জীবনে তার গ্রামের মানুষ জানায় যে সে কোন এক মেয়ের প্রেমে পড়ে ব্যর্থ হয়। কিন্তু সেই ব্যর্থ যন্ত্রণা তিনি আর সহ্য করতে না পেরে উদাসীন হয়ে পড়েন। এই উদাসীনতা থেকে তার এই জীবনের শুরু হয়। পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা, সুন্দর ঘর বাড়ি ইত্যাদি স্বাভাবিক বলতে যা বোঝায় সে ব্যাপারে সে একেবারেই উদাসীন হয়ে পড়ে। কোন রকমে বেচে থাকা টুকু তিনি চালিয়ে নেন। ফলে করমে করমে তিনি এই নোংরা জীবনে অভ্যাস্ত হয়ে পড়েন। 

কেউ কেউ বলেন আমো হাজ নাকি বলেছেন যে, পরিস্কার থাকলে অন্যদের মত স্বাভাবিক জীবন যাপন করলে বরং তার আরও অসুবিধা হয়, শরীর ভাল যায়না। অসুস্থ অ ক্লান্তি বোধ করেন। কিন্তু এই তথ্যের কোন মির্ভরযোগ্যতা পাওয়া যায়নি। 
তিনি যে খাবার খান তাও মরা জীব জন্তুর পচা মাংস বা এ ধরনের পচা খাবার। তার প্রিয় খাবার মরা সজারুর পচা মাংস। 
তিনি, ধুম করেন কিন্তু বিড়ি সিগারেট বা হুক্কা নয়। বরং বিভিন্ন জীব জন্তুর বিষ্ঠা পাইপ করেই ধুমপান করেন। 

এ ধরনের জীবন যাপনে কেউ কেন অসুস্থ বা বিভিন্ন রোগে পড়ে মারা গেলনা বা রোগাক্রান্ত হল না তা পরীক্ষা করেন এক ডাক্তার। ডাক্তার তার শরীরে সাস্থ্যগত সমস্যা পাননি। ডাক্তার বলেন প্রকৃতিতে একটানা অভ্যাসের ফলে তার শরীরে প্রতিরোধী ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়েছে। যা জীবানূর বিরুদ্ধে লড়াই করে। এবং তিনি নোংরা হওয়ায় তার শরীরে একাধিক রোগ জীবানু আছে যা পরস্পরবিরুধী হরমোন ক্ষরনের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করে দেয় ফলে লোকটির ক্ষতি হয়না। 

শেষ কথা এটাই যে , কোনব্যক্তি যদি মন থেকে কাউকে ভালভাসে, এবং প্রিয় মানুষটি কোন অপবাদ দিয়া চলে যায় তখন ব্যক্তির মানসিকতা সেই অপবাদকে কেন্দ্র করে জীবন্ধারন করতে থাকে। যখন আমো কাউকে ভালবাসত, তখন কোন এক অপরিস্কার বিষয়ে ঝগড়া করে মেয়েটি হয়ত বকা বা গালি দিয়া অভিশাপ দিয়া থাকবে হয়ত। তখন অভিশাপ সত্য মিথ্যা বড় নয়বরুগ বক্তি সেটা ভাবতে ভাবতে উদাসীনভাবে সেই পর্যায়ে চলে যায়। আমো হাজীর হয়ত সেরকম কিছু হয়েছিল যা তিনি ভালবাসার স্মৃতি স্বরুপ এখন পালন করে চলেছেন এই অস্বাভাবিক নোংরা জীবনযাপনের  মাধ্যমে। 
করেছেন (390 পয়েন্ট)
অনেক ধন্যবাদ......

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর
07 অক্টোবর 2019 "ইতিহাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Waruf (3.6k পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর
07 অক্টোবর 2019 "ইতিহাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Waruf (3.6k পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর
3 Online Users
0 Member 3 Guest
Today Visits : 9102
Yesterday Visits : 2293
Total Visits : 5086814
...