"কম্পিউটার" বিভাগে করেছেন

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন
সার্কিটঃ সাধারণ অর্থে সার্কিট হচ্ছে বিদ্যুৎ চলাচলের রাস্তা। ব্যবহারিক ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক নানা যন্ত্রপাতি বিদ্যুৎ উৎসের সাথে যুক্ত করা থেকে ঐ যন্ত্র কাজ করার জন্য বিদ্যুৎ চলাচলের পরিভ্রমন পথকে সার্কিট বলে। সার্কিট দ্বারাই মূলত যন্ত্রপাতীকে কাজে পরিণত করার কৌশল প্রনয়ণ করা হয়। একটি যন্ত্র কি কাজ করবে তা তার সার্কিটের উপর নির্ভর করে। কেননা যন্ত্রপাতীর ফাংশন উৎপাদক কম্পোনেন্ট বা যন্ত্রাংশগুলো সার্কিতের মাধ্যমেই বিদ্যুৎ পায় এবং তা ফাংশন পালসে পরিণত করে সার্কিটের মাধ্যমেই অপর যন্ত্রাংশে পাঠানো হয় ঐ ফাংশনকে মডিফাই বা অতিরিক্ত ফাংশন যুক্ত করতে।

সার্কিট আমরা ৩ ভাবে ব্যবহার করে থাকি যথাঃ-

বাহ্যিক বিদ্যুৎ উৎস সংযোগের সার্কিটঃ আমরা যে বাড়ি ঘর ওয়ারিং করে বিদ্যুৎ লাইন করি তাই হচ্ছে বাহ্যিক উৎস সার্কিট।

মাদারবোর্ড বা যন্ত্রাংশ যুক্ত করার সার্কিটঃ একটি টেলিভিশন বা রেডিও বা মোবাইল  বা কম্পিউটার খুললে দেখা যাবে একটি পাতলা কাঠ বা এররকম কোন একটি বোর্ড যার উপর যন্ত্রাংশগুলো বসানো। কিন্তু এই বোর্ডে ভাল করে খেয়াল করলে দেখা যাবে তাতে দাগের ন্যায় অনংখ্যা প্রিন্ট রয়েছে যা যন্ত্রগুলোর এক টার্মিনাল থেকে সরাসরি বা ঘুরে ফিরে অন্য টার্মিনালে যেয়ে যুক্ত হয়েছে। এগুলোই সার্কিট এবং এগুলো ইলেক্ট্রনিক কৌশল সার্কিট। এগুলো জটিল এবং এগুলো দ্বারাই ফাংশন চলাচল করে।

যন্ত্রাংশের ভেতরকার সার্কিটঃ কোন যন্ত্রাংশ যত জটিল তার সার্কিট তত জটিল। সাধারনত অর্ধপরিবাহী ডিভাইস, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দ্বারা ফাংশন তৈরি করা হয়। ফাংশন তৈরি বলতে সাপ্লাই কৃত বিদ্যুতকে আমাদের প্রয়োজনীয় কাজে রুপান্তরকে বোঝায়। এখন একটি চিপ বা আইসির উপর অতিক্ষুদ্র অনেক অর্ধপরিবাহী বসানো থাকে। এদের নিজেদের ভেতরকার সংযোগ ব্যবস্থাও সার্কিট। এগুলো ফাংশন উৎপাদক সার্কিট নামেও পরিচিত।

কম্পিউটারে মাইক্রোপ্রসেসরের লজিক গেট সমুহ হাজার হাজার সার্কিট দ্বারা গঠিত।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি উত্তর
1 উত্তর
7 জন সক্রিয় সদস্য
0 জন নিবন্ধিত সদস্য 7 জন অতিথি
আজকে পরিদর্শন : 6768
...