"অনলাইন পেশা" বিভাগে করেছেন
অনলাইনে কি পেশা বা ক্যারিয়ার গড়া যাবে?

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন
অত্যান্ত সুন্দর এবং বর্তমান সময়ের চাহিদাসম্পর্ণ একটি প্রশণ করেছেন। এর সঠিক সোজা সাপটা কোন উত্তর নাই। এটি ব্যাপক আলোচনা ভিক্তিক একটি উত্তর হবে।

পেশা বা ক্যারিয়ারঃ পেশা কি? এই প্রশ্নের উত্তর প্রয়োজন নাই কারোরই। সবাই জানেন, বোঝেন এটি কি? কিন্তু সত্যি নলতে কি যদি আপনাকে বলা হয় যে হ্যা সত্যি আপনি বলুন যে পেশা কি। তখন আপনই যতই বোঝেন বা জানেন না কেন মুখে উচ্চারন করে বলতে গেলে একটু বিব্রত বোধ করবেন। কি বলবেন যেন খুজে পাবেন না। সহজ সরল ভাবে বলতেই পারেন যে, যে কাজ করে আমরা ইনকাম করি তাই হল পেশা।

আপনার উত্তর ডাইরেক্ট ভূল। কি অবাক হলেন? তর্ক জুড়ে দেবেন ভাবছেন? পালটা বলবেন তুই বল কি? আপনার সাথে তর্ক না করে মেনে নিলাম হ্যা ভাই যা বলছেন ঠিক আছে। আমার এই মেনে নেওয়া কিন্তু পুরাটা ঠিক নয়। আমার চেহারা, ভাষা, ইমোশন দেখে বুঝে যাবেন যে খুব সামান্য মেনে নিলাম। হ্যা আপনার উত্তর মাত্র ৫-১০% এর মত ঠিক বলা যাবে তর্কের খাতিরে।

তাহলে পেশা কি? জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত যে কর্ম করে আমরা বেচে থাকি তাইই হচ্ছে পেশা। পেশার সাথে ইনকাম জড়াবো পরে এবং আধুনিক পেশার সংস্করনের সময়। সর্বাজ্ঞে বেচে থাকা। আদিম মানুষের পেশা কি ছিল? শিকার বা বন থেকে ফল সংগ্রহ বা কৃষিকাজ তাইনা? তারাতো ইনকাম করত না । কাজেই মৌলিক পেশার সাথে ইনকাম জড়াবো না।

ইনকামঃ ইনকাম বা আয় উপার্জন শুরু হয় যখন আদিম কালে মানুষ কৃষিকাজের সেই পরিমান উন্নতি করেছিল যে পরিমান তার নিজ পরিবারের প্রয়োজন মিটিয়ে আরও অতিরিক্ত থাকত।

নিজ পরিবারের প্রয়োজন মেটানোটাই হচ্ছে মৌলিক পেশা। তারপর অতিরিক্ত ফসল অন্য কোন কর্মকারকে দিয়া তার কাছ থেকে আবার কিছু জিনিস সংগ্রহ করা ছিল যৌগিক পেশা। যেমন অতিরিক্ত ফসল কাউকে দিয়া তার কাছ থেকে কাপড় বা মাটির হাড়ি কলস ইত্যাদি নিত। এটা হচ্ছে যৌগিক পেশা। কারন যিনি মাটির জিনিস বানাতে পারতেন তিনি এগুলো অন্যকে দিয়া বেচে থাকার অন্য যুগাতেন। এই যুগকে বিনিময় প্রথা যুগও বলে। এসময়ে মানুষ জিনিস পত্র বিনিময় করতে শেখে।

বিনিময় যুগ উত্তরনের পর মানুষ যখন খাদ্য সংরক্ষন শিখল তখন ধীরে ধীরে মুদ্রা যুগে চলে আসল। অর্থাৎ কেনা বেচা। এই যুগে মানুষের পেশার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটল। অল্প মানুষ উৎপাদনে নিযুক্ত থাকল। বাকিরা যোগ্যতা অর্জন করে ব্যবসা রাজ কর্মচারী চাকরী ইত্যাদি কর্মকান্ডে নিযুক্ত হল।

খেয়াল করার বিষয় হচ্ছে যিনি সৈন্য বা রাজ কর্মচারী তিনি মূলত এই কাজ করছেন এর থেকে অর্থ বা মূদ্রা নিয়া ঐ কৃষকের কাছ থেকে চাল ডাল কিনবেন। কাজেই ডাইরেক্ট উৎপাদন থেকে রুপান্তরিত হয়ে পেশা হয়ে উঠল চাকরি।

তাই বর্তমান সময় চাকরি ব্যবসা বানিজ্য আয় ইনকাম সবই হচ্ছে রুপান্তরিত পেশা। রুপান্তরিত পেশা নিজ দক্ষতার উপর নির্ভর করে।

তাহলে উপরে আপনার প্রশ্নে ভূলটা কোথায়? ভূলটা হচ্ছে বর্তমান ইনকামের উদ্দেশ্য ও ধরন নানা প্রকার। ধরুন আপনি গ্রামে থাকেন। আপনার  ১০ বিঘা জায়গা রয়েছে। ঘের রয়েছে। এগুলোর উৎপাদন মেইন্টেন এক কথায় কৃষি করে আপনি জীবন নির্বাহ করেন। গ্রামে আপনি একজন সম্ভ্রান্ত কৃষক। আপনার অবস্থাও উন্নত । তাহলে বলা যায় আপনার পেশা কৃষি।

এখন আপনি ভাবলেন মাঝে মাঝে শহর থেকে মাল এনে গ্রামে বেচবেন। এবং এটি স্থায়ী নয়। কিন্তু এর ফলে আপনি টাকা ইনকাম করবেন যা আপনার অবস্থাকে আরও ভাল করবে। এই অবস্থায় আপনি ব্যবসা করছেন ঠিকই। কিন্তু স্থায়ী না হওয়ায় তা আপনার মূল পেশা হিসাবে গণ্য হবেনা। আপনার সকল কিছু তো চলছে কৃষির উপর।

কিন্তু যদি ধীরে ধীরে ব্যবসায় উন্নতি করে কৃষি ছেড়ে ব্যবসাকে ইনকামের প্রধান করেন তখন এটি পেশাতে রুপান্তরিত হবে।

আবার ব্যবসা করতে করতে ধরুন আপনি অনলাইনে ইনকাম করছেন। এটা আউটসোর্সিং কিন্তু স্থায়ী ভাবে আপনার পেশা হবেনা।

এক কথায় আপনার ভরণপোষনের জন্য স্থায়ী কর্মকে পেশা বলবে। আপনি যতই ইনকাম করুন না কেন। ধরুন আপনি ইনকাম করে ১০ কোটি টাকা বানালেন। এরপর সখ করে বই লেখালেখি শুরু করলেন। তাহলে আপনি লেখক কিন্তু এটি আপনার স্থায়ী পেশা হবেনা। যদিও বই লেখা থেকে কিছু ইনকাম আপনার আসে।

তবে যদি এমন হয় যে নানা প্রকার কাজ করেই আপনার সংসার চালাতে হয়। একক কোন উপায় নাই। তবে সেক্ষেত্রে আপনার পেশা হবে শ্রমিক বা দিনমজুর। কারন ছোট হোক বাড় হোক। টাকা কম আসল না বেশি। সেটা বড় নয়, সবগুলো একত্রে মিলেই আপনার পেশা কারন এগুলো একত্রেই আপনার জীবন ধারন চলে।

আপনার প্রস্তুতিঃ আপনি ছোট শিক্ষানবিশ। তাহলে আপনি বড় হয়ে কি করবেন কোন পেশায় যাবেন তার সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন ব্যাপার।

আমরা সকলেই পড়াশূনা করছি। বড় হয়ে আমরা বড় কিছু হতে চাই, ডাক্টার ইঞ্জিনিয়ার ইত্যাদি হতে চাই। যাইই চাইনা কেন উদ্দেশ্য কিন্তু আমাদের একটাই তা হল আগে ক্যারিয়ার গড়া বা পেশা।

আপনি পড়াশূনা করছেন? শিক্ষিত হয়ে চাকরী করে ইনকাম করে পরিবার চালাবেন। কাজেই আপনি পড়াশুনা করছেন ক্যারিয়ার গড়ার প্রস্তুতি হিসাবে। অর্থনোতিক অবস্থা, পরিবেশ ইত্যাদি অনুযায়ী আমাদের অধিকাংশই পড়াশুনা করে পেশা গড়ার জন্য, মাসসিক জ্ঞান বা বিজ্ঞানী হওয়ার জন্য নয়। যদিও অনেকেই আছেন জ্ঞানের জন্যই পড়েন । আমি জাস্ট বললাম অধিকাংশ ক্ষেত্রে। ধরুন আপনার মেধা আছে। তো ক্যারিয়ার বাদ দিয়া কি বিজ্ঞানী হতে পড়ছেন? ইমোশনালি হ্যা। কিন্তু লজ্জ্বা না থকলে বলবেন না। সত্যিই ইনকাম করে ভাল থাকার জন্য করছি।

সে যায় হোক। অনেক কথা বলা হল। এবার আপনার জীবনের প্রস্তুতি নিয়া বলি।

আপনি কি সিরিয়াস প্রস্তুতি নিতে চান সেটা আগে ভাবুন। আমাদের দেশে ৯৯% ছাত্রছাত্রীদের কিন্তু সিরিয়াস লক্ষ নাই। ভাবটা এমন যে পড়ছি, পড়ি, শেষ হলে একটা চাকরী। কিন্তু কি পড়ছেন? বইয়ের পাতায় যা আছে তা অফিসের কাজের ফাইলে নাই। অনেকেই বলে ডাক্তার হব , এ হব, তা হব। আসলে এগুলো শুনতে ভাল লাগে। তাই সেই ভাল লাগা থেকে আমরা বলি। কিন্তু তা সিরিয়াস না। পড়তে পড়তে রেজাল্ট ভাল হলে ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার। রেজাল্ট না হলে নাই। কিন্তু সিরিয়াস হচ্ছে আপনার টার্গেট। আপনি বাছাই করবেন এবং লক্ষ অর্জন করবেন।

এই লক্ষে ক্লাসে আপনাকে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। নিয়মিত পড়াশুনা করতে হয়। দুষ্টামী কমাতে হয়। ব্যবহার সুন্দর করতে হয় ইত্যাদি। তবেই আমরা শেষে সেই পেশা বা জবের জন্য পারফেক্ট হই এবং সফল হই।

অনলাইন ক্যারিয়ারঃ

উপরের আলোচনাকে গুরুত্ব দিন সর্বাজ্ঞে। ভাবুন বার বার। তার ঠিক করুন আপনি কি করতে চান?

সাধারন সবার চাহিদা থাকে সরকারী চাকুরী। হ্যা আমিও চাই কারন এতে নির্ভরতা অনেক বেশি।

আর অনলাইন পেশা যেটি শুনতে অধিক ভাল লাগে, মন চায় ইশ! আমিও যদি পারতাম। বিদেশী ডলার ইনকাম বলে কথা। মর্যাদাটা অন্যরকম। লোভ সামলানো দায়। হ্যা এতে দোষের কিছু নাই। হাসির কিছু নাই। যে হাসে সে কেবল মুর্খামী দেখায়। আমিও চাই আপনি এ পথে আসুন, নিজের সাথে দেশের মুখও উজ্জ্বল করুন।

কিন্তু এই পথ খুবই কঠিন এবং অনির্ভরযোগ্য। সবচেয়ে খারাপ ব্যাপার হচ্ছে কিছুদিন পর অফ হয়ে গেলে জীবন শেষ। একুল গেল ওকুল গেল। কারন এখানে স্থায়ী বলে কিছু নাই। পরিচিত বলে কিছু নাই। চিল্লাচিল্লি দৌড় ঝাপেরও পথ নাই।

অফিসের ফাইলে ভূল হলে ভূল শুধরানোর জন্য ক্ষমা চাওয়ার পথ আছে। ধরে করে, দৌড় ঝাপ করে বা বড় জোর লবিং করেও একটা সুযোগ পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু অনলাইনে সেই সিস্টেম নাই। কোথায় লবিং, কোথায় কার কাছে দ্বিতীয় সুযোগ চেয়ে কান্নাকাটি করে ফিরে পাবেন?

তাই অনলাইন ক্যারিয়ার গড়তে আপনাকে ব্যপক ভাবতে হবে যে আসলেই আপনি এ পথের যাত্রী কিনা।

অনলাইনে যে মোটেও সুযোগ নাই তাই নয়। নিজে যদি উদ্দ্যোক্তা হতে পারেন তাহলে বেশ সুযোগ আছে। আর এটির বেশির ভাগ ই-কমার্স। বা নিজের ব্যবসা পরিচালনা করা। কাজেই বার বার ভাবুন যে, আপনার এমন কি আছে যা বিক্রির মাধ্যমে অনলাইন ক্যারিয়ার করবেন?

আউটসোর্সিং বা ফ্রিলানিং বর্তমানে ছাত্রছাত্রীদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয়। কিন্তু উপরের নেতিবাচক সকল আলোচনাই এই ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ধরুন অনলাইন মার্কেট প্লেসে আপনি ৬ মাস ১ বছর কাজ করে সফল হয়েছেন। তবুও তারপরও কোন এক বিষয়ে আপনি যদি ব্লক হোন তাহলে ক্যারিয়ার শেষ বলতে পারেন। নতুন ডুপ্লিকেট আইডি বা ফেক আইডিতে সফল হবেন না। ফিরে পাওয়ারও চান্স নাই।

ব্লগিং করবেন? এডসেন্স নিয়া কাজ করবেন? এটি কচুর পাতার মাঝে পানির বিন্দু টলমল করার মত অনিশ্চিত। যখন তখন বন্ধ হয় এডসেন্স। এগুলো আপনি অবশ্যই করবেন তবে মূল পেশার পাশাপাশি। মূল পেশা হিসাবে নয়।

মূল পেশা হিসাবে তখনই আপনি অনলাইন বেছে নিবেন যখন আপনি কোম্পানির মত বড় প্লাটফর্ম করতে পারবেন। বা কয়েকজন মিলে কোম্পানি করতে পারবেন তখন।

ফ্রিলান্স ও ব্লগিং ইউটিউব ইত্যাদি মনেটাইজেশন নিয়া ক্যারিয়ার গড়তে যেভাবে নিজেকে গড়বেনঃ

অনলাইনে ক্যারিয়ার গড়তে আপনাকে অনলাইনে পরিচিত বাড়াতে হবে এটা অতি সাধারণ কথা। সোশ্যায়াল মিডিয়া, ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম ইত্যাদি ব্যবহার করেন? এগুলোতে হাজার হাজার পোস্ট এমনকি প্রূভ পোস্টও রয়েছে যে সহজে ইনকাম করা যায়।

এগুলোতে আপনি ব্যপক সময় দেন নিশ্চয়? হ্যা দিন। আমার কোন আপত্তি নাই। সময় দিলে যে ক্ষতি হবে তাও নয়। বরং আপনি পরিচিত হয়ে উঠতে পারলেই লাভ। তবে অনলাইন পরিচিত বেশ কয়েক প্রকার আছে।

যেমন ফেসবুকে মজাকরার পোলা হিসাবে হয়ত আপনি পরিচিত। জোকার হিসাবেও পরিচিত হতে পারেন, আপনার জোক্স অনেকেই পছন্দ করে। আবার ছলনাকারী পোস্ট করেও পরিচিতি পেতে পারেন যা ছেলেমানুষী পরিচয় বহন করে। ফেসবুকে এগুলোর দাপট অবশ্য বেশি বলেই মনে হয়।

কিন্তু এগুলো আপনার অনলাইন ক্যারিয়ারকে ক্ষতি করতে পারে। অনলাইন পরিচিত অবশ্যই দরকার কিন্তু এই ছেলেমানুষী পরিচয় নয়। একজন বাস্তববাদী, কর্তব্যপরায়ন, নেত্রত্বদানকারী। ভাল লেখক। ভাল রুচিবোধ বা হাই কুয়ালিটি পছন্দীয় মডেলিং  হিসাবে আপনাকে পরিচিত বাড়াতে হবে। অনলাইনে যারা যারা উদ্দ্যোক্তা হিসাবে কাজ করেন তাদের সাথে যোগাযোগ, প্রজেক্ট আলোচনা ইত্যাদি পরিচিত বাড়াতে হবে। মজার মজার প্রেম সংক্রান্ত ছন্দ পোস্ট না করে ফোরামে অংশ নিয়া কোন টপিকে আলোচনা করুন। ব্লগ গুলো পড়ুন। সুযোগ থাকলে নিবন্ধন করে সেখানে পোস্ট দিন। অন্বেষার সাথে থেকেও অনেক কিছু জানতে পারেন। এটি নিছক প্রশ্ন ও উত্তর তা নয়। এখান থেকে না আইডীয়াও পেতে পারেন যা হঠাত আপনাকে একটি পথ দেখাবে।

বিভিন্ন সফটপ্যার চালনা শিখুন। শুধু মোবাইল আর চ্যাটিং নিয়া থাকবেন না। নিজের ফটো তুলে আপলোড করতে ভাল লাগে? করুন। ফটো তুলুন এডিট করে কালপিন সুন্দর ডিজাইন দিন। আপলোড দিন। এগুলো এক সময় সহায়ক হতে পারে।

কিভাবে?

ধরুন আপনি ইউটিউব ভিডিও বানাবেন। সুন্দর হাই কোয়ালিটি ক্যামেরা নাই। তাহলে সফটওয়ার দিয়া কাল্পনিক ডিজাইন করে ফটো বানিয়ে তা ভিডিওর ইফেক্টে ব্যবহার করে ভিডীও আকর্ষণীয় করে কোন টিপস বা প্রজেক্ট টিউটোরিয়াল বানিয়ে আপলোড দিলে তা দ্রুত মনেটাইজ হবে। মনেটাইজ নিশ্চয় বোঝেন। অর্থা ইউটিউব থেকে ইনকামের সুযোগ আপনার খুলতে পারে।

একটি প্যারা মন্তব্যতে দেওয়া হল...........................
করেছেন
আসল কথা হল অনলাইনে ক্যারিয়ার করতে হলে আপনাকে অনলাইন পরিচিতি বাড়াতে হবে। 

নিজেকে লুকিয়ে কার্যক্রম করা যাবেনা। লজ্জায় নিজের চেহারা না দেখিয়ে পরিচিত হতে চান? পারবেন না। তাই নিজেকে প্রকাশ করার মানসিকতা থাকতে হবে । 

এবং অত্যান্ত প্রফেশনাল ভাবে নিজেকে উপস্থাপন করার অভ্যাস করতে হবে। শিখতে হবে জানতে হবে নিজেকে প্রেজেন্ট করার কৌশল। কথা বার্তা স্পষ্ট ও সাবলিল করতে হবে। 

একটা বড় বিষয় হচ্ছে নির্দিষ্ট বিজনেস বা সার্ভিস শুরু করার আগে স্বার্থ নিয়া চলা যাবেনা। ফোরাম সাইট, ব্লগসাইট বা অন্বেষার মত প্রশ্ন উত্তর সাইটে নিজের জ্ঞান প্রকাশ করতে হবে। টাকা পাবেন না বলে ফাউ খাটবেন না এই মানসিকতা দূর করতে হবে। ভাবছেন তাতে কি? অনেক কিছু। এর ফলে আপনার জ্ঞান পোস্ট এক্টিভিটি রয়ে যাবে। ভিজিটররা তা দেখে আপনাকে চিনবে। এরপর যখন নিজে সার্ভিস শুরু করবেন তখন ঐসকল সাইটে আপনি তা প্রচার করলে ভিজিটর রা আগ্রহ করেই আপনার সাইট বা সার্ভিসে যাবে। ধরুন আপনি একটি সাইট বানিয়ে এই সাইটে লিংক পোস্ট করলেন। এখন কেউ যদি আপনার জ্ঞান সম্পর্কে না জানে তাহলে ঐ লিংকে খুব বেশি যেতে চাইবেনা। বড় জোর একবার। তারপর আর নাই। কিন্তু আপনাকে জানলে তারাও আপনার মত হতে সাহায্য সহযোগীতা পেতে অথবা আপনার সাইটে আরও ভাল সার্ভিস পাওয়ার আশায় আপনার সাইটে যাবে। এভাবেই হয় মার্কেটিং আর রচিত হয় আপনার ক্যারিয়ার।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

5 জন সক্রিয় সদস্য
0 জন নিবন্ধিত সদস্য 5 জন অতিথি
আজকে পরিদর্শন : 6102
...