0 টি ভোট
"রুপচর্চা ও সৌন্দর্য বর্ধন" বিভাগে করেছেন (661 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (3.6k পয়েন্ট)

শীতে তাপমাত্রা খুবই কম থাকে, বাতাসে আদ্রতা থাকেনা। শুষ্ক বায়ু তাই তাপমাত্রা কম হলেও আদ্র বস্তু থেকে আদ্রতা বা পানি বের করে নিতে পারে সহজে।

ফলে আমাদের অপেক্ষাকৃত পাতলা ঠোটের ত্বক বেশি ফাটে। পাও ফাটে ঠান্ডায় মৃত ত্বক শক্ত হয়ে। আরও দেখতে এখানে ক্লিক করুন। 

তাই শীতে ত্বকের বিশেষ যত্নের প্রয়োজন।

ঠোটের সুরক্ষাঃ ঠোট হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থান। ঠোট ফাটলে শুধু কি সৌন্দ্রয্য হারায়? শুধুই কি অস্বস্তি লাগে?

ভাত খেতেও সমস্যা। একটুতেই ঝাল লাগবে। প্রাণ ভরে হাসতে পারবেন না।

এসকল অসুবিধা থেকে মুক্তি পেতে-

১। শাকসবজি খান

২। প্রতিদিন একটি গাজর খেতে চেষ্টা করুন।

এগুলোতে ভিটামিন থাকে যা ঠোট ঘা, পিম্পিল উঠতে বাধা দেয়।

ঠোট ফাটছে অনুভব হলে-

৩। ভিটামিন ব২ ভিটামিন এ, ভিটামিন ই খান।


গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা স্তরঃ-

ঠোটের আদ্রতা হারানো থেকে রক্ষা পেতে লিপজেল, বা ভ্যাসলিন ব্যবহার করুন।

এটি এগুলো বিশেষ ধরনের পেট্রোলিয়াম জেলি হওয়ায় ঠোটের উপর একটা অস্তরণ সৃষ্টি করে থাকে। ফলে ঠোট থেকে আদ্রতা বের হতে পারেনা। এতে ঠোট মসৃন নরম, কোমল থাকবে। 

জিব্বা দিয়া বারবার ঠোট ভিজানো কমাতে হবে।

লিপস্টিক জাতীয় ক্রিম ব্যবহার অনুচিত। মুখমন্ডলে আদ্রতা ধরে রাখতেও এ ধরনের যেকোন ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে। ক্রিম চয়েচ করার ক্ষেত্রে শক্ত জাতীয় ক্রিম পরিহার করতে হবে। নরম আঠালো ক্রিমই ভাল হবে, ভ্যাসলিনের মত ক্রিম গুলো উপযোগী।

শরীরে অলিভওয়েল জাতীয়, ময়েশ্চারযুক্ত লোশন ব্যবহার করতে হবে। আবার গ্লিসারিনও মাখা যেতে পারে। বিশুদ্ধ গ্লিসারিন বেশ কার্যকর। তবে গ্লিসারিন কিন্তু পানি দিয়ে মিক্সড করে মাখতে হয়। গ্লিসারিন মাখলে দেহ থেকে সহজে ময়লা উঠে যায়।


মুখবন্ডলের ক্ষেত্রে সতর্কতাঃ মুখে আঠালো বা যেকোন ক্রিম, পাউডার লাগানোই ক্ষতিকর, কারন মুখের ত্বকের লোমকুপ বা ত্বকের যে এপিথেলিয়াল ছিদ্র বা কুপ গুলো থাকে তা এসকল ক্রিম লাগানোর ফলে বন্ধ হয়ে যায়। তখন ত্বক ফুলে ওঠে, ব্রন সৃষ্টি করে। আর একবার শুরু হলে মুক্ত হওয়া বেশ কঠিন। 

তাই শীতের যত্নের জন্য যতটা সম্ভব বেশি পাতলা ক্রিম ব্যবহার করা এবং বাইরে বের হওয়ার আগে ব্যবহার করা, যদি মনে করেন আজ বাড়ি থেকে বের হবেন না তাহলে এই ক্রিম মাখা থেকে বিরত থাকুন, হালকা ময়েশ্চারাইজার যুক্ত লোশন মাখুন।

গোসলের সময় অবশ্যই ভাল করে, বিশেষ করে ক্রিম বা জেলি ব্যবহার করলে গোসলের সময় বেশি পানি, নরম কাপড় দিয়া মুখ ধৌত করুন এমন ভাবে যাতে ত্বকের কুপের মুখের ক্রিম ধুয়ে যায়। 


যদি এটি ভালভাবে না করতে পারেন তবে ব্রনের ভয় থেকেই যায়।


পা ফাটা প্রতিরোধঃ নিয়মিত গরমপানি, লেবুর হালকা রস বা লেবুর খোসা দিয়া গরম পানি করে পা ধুইতে হবে।

পায়ের গোড়ালি তলা ও চারপাশের মৃত ত্বক ঘষে পরিস্কার করে তুলতে হবে। গোড়ালির নিচের মৃতু চামড়া ঝামা(এক ধরনের স্পঞ্জের মত অতি পোড়ামাটির খন্ড) দিয়া ঘষে পরিস্কার করে তুলে ফেলার চেষ্টা করা উচিত। তবে সাবধান। নরম ত্বকে যেন কোন প্রকার ঘষা, আঘাত না লাগে।

পায়ে ভাল করে পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করুন।

সর্বশেষে অবশ্যই পায়ে উলের মোজা পরুন।

এভাবে যত্ন নিতে পারেন শীতের সময়ে ঠোট ও পায়ের।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর
18 ডিসেম্বর 2020 "রুপচর্চা ও সৌন্দর্য বর্ধন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন আলো (661 পয়েন্ট)
+1 টি ভোট
1 উত্তর
21 ডিসেম্বর 2020 "রুপচর্চা ও সৌন্দর্য বর্ধন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন আলো (661 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর
17 সেপ্টেম্বর 2020 "রুপচর্চা ও সৌন্দর্য বর্ধন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Sharmin Shanu (389 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
0 টি উত্তর
28 জুলাই 2020 "রুপচর্চা ও সৌন্দর্য বর্ধন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Sharmin Shanu (389 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
0 টি উত্তর
3 Online Users
0 Member 3 Guest
Today Visits : 8995
Yesterday Visits : 2293
Total Visits : 5086707
...