0 টি ভোট
"রুপচর্চা ও সৌন্দর্য বর্ধন" বিভাগে করেছেন (661 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (3.6k পয়েন্ট)
আহা শীত! জড়সড়ভাব ও কুজু হয়ে বসার সময়। রাস্তায় বের হবেন? পকেট কিংবা পেছনে হাত বেধে হাটার সময় এই শীত।

শীত হচ্ছে খাবার মজা আর ঘুমানোর মজার ঋতু। কিন্তু অন্য সকল বিষয়ে হয়ত এটি অপছন্দ।

আরও অপছন্দ হচ্ছে এই শীতে ত্বক ঠিক থাকেনা।

শরীরের সকল স্থানের ত্বক কম বেশি কুচকে সংকুচিত হয়ে যায়।

মুখে শুষ্ক উষ্ক খুষ্ক একটা ভাব পরিলক্ষিত হয়।

আর এর চুড়ান্ত খারাপ ব্যাপার হচ্ছে ঠোট ফাটা। পা ফাটাকে ভুলে যাবেন না। পেছনে আর নিচের দিকে হওয়া সত্বেও পা ফাটা বিশ্রি একটা অনুভব।

হাটা চলায় যথেষ্ট অসুবিধা হয়, জ্বালা যন্ত্রনা করে। পায়ের চাপ যেন দিতেই ইচ্ছা করেনা। খুড়িয়ে হাটটে হয় অনেকের।

কেন এই ঠোট ও পা ফাটেঃ আসলে শীতকালে বাতাসে আদ্রতা থাকে খুবই কম। শীতের বাতাস শুষ্ক। এই শুষ্ক বাতাস অনেকটা নিরুদকের মত কাজ করে। অর্থাৎ যেকোন পানিযুক্ত বা আদ্র বস্তু থেকে পানি বা আদ্রতা বের করে নিতে পারে বাতাস।

আমাদের শরীরের অন্যন্য স্থানের চেয়ে ঠোটের ত্বক খুবই পাতলা হয়। এবং মুখের লালার দ্বারা প্রায় সারাবছর আদ্র থাকে। এর উপর যাদের আবার জিব্বা দিয়া ঠোট চাটা বা ভিজানোর অভ্যাস আছে তাদেরত সর্বদাই ঠোট ভেজা থাকে।

ফলে ঠোটের ত্বক এই আদ্রতার সাথে অভিযোজিত হয়ে নরম কোমল হয়।

কিন্তু হঠাৎ করে শীত চলে আসলে শুষ্ক বাতাস আমাদের ঠোট থেকে পানি বা আদ্রতা শোষন করে নেয়। এতে ঠোট বার বার দ্রুত আদ্রতা হারিয়ে শক্ত হয়ে ওঠে। এতে ঠোটে অস্বস্তি লাগে। এবং শক্ত ঠোট কথা বলা বা নড়নের সময় ভাজ পড়তে না পেরে ফেটে যায়। 

তবে এই ফাটা সবার এক হয়না।

কারও কম, কারও বেশি। আবার কারও এতই কম যে মনে হয় ঠোট ফাটেনি। এটি মুলত ব্যক্তির অভ্যাসের জন্য। যার ঠোট জিব্বস দিয়া চাটা বা ভেজানোর অভ্যাস বেশি। তার ঠোট ফাটে বেশি।

আদ্রতা যতই হারায় ঠোট শুধু যে ততই শক্ত হয় তা নয়, এর সাথে পাতলা ঠোটের উপরের স্তরের কোষ মরে যায়। এবং মৃতু কোষ স্তর বেশি শুকিয়ে ফাটাকে ত্বরান্বিত করে।

শরীরে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি২ এর অভাব থাকলে সমস্যা আরও প্রকট হয়। ঠোতে গুটি গুটি ফোস্কা পড়ে ঘা মত হয়। ফলে ঠোট বিশ্রি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ঠোটের যত্ন অতি জরুরী।

পা ফাটাঃ পায়ে ঠোটের মত আদ্রতা থাকেনা ঠিকই। কিন্তু গোড়ালির দিকে ত্বকের গঠন একটু ভিন্ন, সাধারন চামড়ার মত নয়।

এই স্থানের কোষগুলো বিশেষ বড় আবার ফাপা ধরনের যাতে পায়ে রাবার প্যাডের মত হতে পারে।

এই ত্বকে প্রচুর মৃতু কোষ থাকে।

তাই শীত কালে এই উপরের স্তরের মৃত্য কোষ আরও শুকিয়ে সংকুচিত হয়ে যায়। এই সংকোচনের ফলে টান পড়ে ফাটা স্থান সৃষ্টি হয়। এই ফাটা স্থান ভেতরের অন্তত্বকেও টান সৃষ্টি করে। এর উপর আবার পায়ের উপর শরীরের চাপ পড়লে ফাটা ছাড়া আর পথ থাকেনা।

এভাবেই শীত আমাদের শরীরে কিছু স্থানে ফাটা সৃষ্টি করে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর
18 ডিসেম্বর 2020 "রুপচর্চা ও সৌন্দর্য বর্ধন" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন আলো (661 পয়েন্ট)
+1 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
0 টি উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
2 Online Users
0 Member 2 Guest
Today Visits : 9060
Yesterday Visits : 2293
Total Visits : 5086772
...