0 টি ভোট
"মোবাইল" বিভাগে করেছেন (390 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (3.1k পয়েন্ট)
মোবাইল ফোন হ্যাং হওয়ার অনেক কারন রয়েছে।

যেমন-

র‍্যাম কম এবং  হার্ডওয়ারগত ভাবে স্লো হলে,

রোম বা ইন্টার্নাল মেমোরী কম হলে,

স্টোরেজ ফূল ভরা থাকলে,

বেশি রানিং এপস চালু থাকলে,

বেশি গেম ইনস্টল করা থাকলে, অনেকে হয়ত এই কথা মানবেন না, কিন্তু এটা সত্য । গেমগুলো ওফেন না থাকলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে কিছুটা এক্টিভ থাকে, ডাটা আপডেট করতেই থাকে। ক্রাক বা চুরি করা বা প্লে স্টোর বিহীন গেমস এপস হলেতো আরও বেশি সমস্যা।

এছাড়া ভাইরাস সফটওয়ার থাকলে। ফোনে ডেট ওভার এপস ইন্সটল থাকলে,

পূরানা ভার্সনের ফোন গুলোতে নতুন বর্তমান সময়ের এপস ইন্সটল করলে হ্যাং হয়ই, এটির রক্ষা নাই। 

এছাড়া কোম্পানি অনেক সময় পুরানা ফোনগুলোকে এধরনের সমস্যায় ফেলে দেয় নতুন ফোন কিনতে বাধ্য করার জন্য, এটি কোন কোম্পানি স্বীকার না করলেও সত্য। এপলস তো এর জন্য জরিমানাও দিয়েছে আদালালতে। 

কাজেই ফোন যাতে হ্যাং না হয় সে বিষয়ে আমাদের খুব বেশী করার কিছু নাই। কারন আমাদেরতো ব্যবহার করতে হবে। অতি আদরে রেখে যদি কাজ না মিটলো তবে সে ফোন ব্যবহারের দরকার কি?

আমাদের সম্ভাব্য করনীয়ঃ-

সবসময় প্লে স্টোর থেকে এপস ডাউনলোড করতে হবে। এবং সেই এপস এর একটা ব্যাক আপ রেখে দিতে হবে যাতে ফোন পুরানা হলে যদি নতুন এপস না চলে তবে পুরানা ঐ ব্যাক আপ এপস চালানো যায়।

বেশি গেম ইনস্টল না করা। যেগুলো খেলেন না, বা খুব কম খেলেন তা না রেখে ডিলিট করতে হবে।

ফ্রি পেইড এপস অন্য সাইট থেকে ডাউনলোড না করা। এগুলো ভাইরাস দ্বারা ক্রাক করা থাকে। আবার অনেক তরুন ডেভেলপার আসল এপের অনুরুপ ক্ষতিকর নতুন এপস বানিয়ে আসল এপের ফ্রি ভার্সন হিসাবে আপনাকে দিয়া ক্ষতি করে। 

রানিংস এপস না রেখে বরং লাইট এপস ব্যবহার করতে পারেন। যেমন ফেসবুকের ৪০-৫০এমবি মেসেঞ্জার ব্যবহার না করে ১০ এমবির লাইট মেসেঞ্জার ব্যবহার করতে পারেন যদি র‍্যাম, মেমরী কম হয়। 

ব্রাউজার কম ব্যবহৃত এপসগুলোর নোটিফিকেশন অফ করে রাখুন।

পার্মিশন অন অফ সাপোর্ট থাকলে অযথা অকাজের পার্মিশন দিবেন না। 

কখনো সি ক্লিনার বা অটো ক্লিনার , স্কানার, জাংক, ক্যাশ রিমোভার এপস গুলি ব্যবহার করবেন না। স্টোরেন ক্লিনার ব্যবহার করলে স্লো হয় বেশি। আর বিভিন্ন সফটওয়ারের দরকারী ক্যাশ ফাইল ডিলিট হয়ে গেলে ঐ এপস চালুর সময় পূনরায় তৈরি করতে স্লো কাজ করে বা হ্যাং হয়ে যায়। মানুষের মুখে ইন্টারনেটে অনেক প্রচলিত কথা শোনা যায় যা ঠিক নয়। কাজেই যা তা শুনে বা নেটে পড়ে সাথে সাথে তা না করে প্রযুক্তি সিস্টেম বোঝা কারও কাছে শুনে বুঝে নিবেন। 

মনে রাখবেন কলকারখানার উৎপাদন কাজে নিয়জিত শ্রমিক আর বিজ্ঞানীর মধ্যে পার্থক্য আছে। হাহাহাহাহা বুঝলেন না তো? ধরুন এক কারখানায় মোবাইল বানানো হয়। তাহলে কারখানার শ্রমিকেরা কিন্তু ফোনের অনেক কিছু জানেন। কিভাবে বানাতে হয় জানেন। আবার বিজ্ঞানীরা কিন্তু বানায় না। তারা একবার নিয়ম দেখিয়ে দেন শ্রমিকদের।

তো শ্রমিকরা শুধু বাহ্যিক পারে। কিন্তু কোনটা কি? কেন? কিভাবে কাজ করে তার টেকনিক জানেনা। আবার বিজ্ঞানীর কাজ করার অভ্যাস নেই বলে সে যন্ত্র চালিয়ে তৈরি করতে পারবেনা। কিন্তু বিজ্ঞানী সবকিছুই জানেন। কিভাবে তৈরি করতে হয়, কোনটা কিভাবে কাজ করেন। এগুলো বিজ্ঞানীই জানেন।

এত কথা বলার উদ্দেশ্য হল মোবাইল চালিয়ে এক্সপার্ট বহু মানুষ আছেন। তারাই নানা ফন্দি কৌশল প্রচার করে। আর এগুলোই প্রচলিত কথা হয়ে যায়। যার ভেতর প্রচুর ভূল থাকে। কিন্তু একজন হার্ডওয়ার ও প্রোগ্রামার এক্সপার্টই আসল বিষয়ে জানেন। তাই ২০ বছর মোবাইল চালিয়ে যে নাম করেছে তার কাছেই সব সমাধান আছে এটি মোটেও নয়। তাই আসল এক্সপার্ট কাছেই জিজ্ঞাসা করবেন। 

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
0 টি উত্তর
11 মার্চ "বিজ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন রিপন (3.1k পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর
06 জুন 2020 "ইন্টারনেট ও ওয়েবসাইট" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন ABLE (204 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
5 Online Users
0 Member 5 Guest
Today Visits : 8725
Yesterday Visits : 2293
Total Visits : 5086437
...