"কৃষি বিজ্ঞান বই" বিভাগে করেছেন

image

এসাইনমেন্ট 

করেছেন
  ৬ষ্ঠ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট 

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন

১। (ক) ফসল উৎপাদনের মৌসুমঃ বছরের যে সময়ে কোন ফসলের বীজ থেকে চারা জন্মায় সে সময় থেকে শুরু করে চারার শারীরিক বৃদ্ধি, ফুল ধারন, ফল হওয়া এবং পরিপক্ক ফল বা শস্যা সংগ্রহ পর্যন্ত সময়কালকে ঐ ফসলে ফসল উৎপাদন মৌসুম বলে। এখানে মৌসুম অবশ্যই প্রাকৃতিক নির্ভর হবে যেমন বৈশাখ মাসে আলুর চারা গজায় না তাই এটি আলুর মৌসুম হবেনা। শীতের প্রারম্ভে আলুর গায়ে অঙ্কুর আসে। কাজেই এই সময় থেকে আলু রোপন ও উৎপাদন পর্যন্ত সময়কে আলুর মৌসুম বলা হবে। বৈজ্ঞানিক উপায়ে কৃত্রিম ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে যেকোন সময়ে ফসল উৎপাদন মৌসুম হিসাবে পরিগণিত হবেনা।


(খ) রবি মৌসুম ও খরিপ মৌসুমের মধ্যে পার্থক্যঃ-

রবি মৌসুম
খরিপ মৌসুম
১। আশ্বিন মাস থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলা হয়।
চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কালকে খরিপ মৌসুম বলা হয়।
২। রবি মৌসুমে বৃষ্টিপাত কম হয়, তাপমাত্রা কম থাকে।
২। খরিপ মৌসুমে বেশি বৃষ্টিপাত হয়। তবে খরিপ-১ ঝড় বজ্রপাত ও অল্প ঝটিকা বৃষ্টি হয়, বৃষ্টির পানিতে এসিডিক বৈশিষ্ট্য থাকে। খরিপ-২ তে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
৩। বাতাসে আদ্রতা কম থাকে। মাটিতে পানি রস বা পানি কম থাকে।
৩। বাতাসে প্রচুর আদ্রতা থাকে। মাটি কখনো কখনো জলাবদ্ধতাপ্রাপ্ত হয়।
৪। মাটিতে সেচ দেওয়ার প্রয়োজন হয়।
৪। সেচের প্রয়োজন নাই তবে পানি নিষ্কাশনের প্রয়োজন হয়।
৫। ফসলের রোগ ও পোকার আক্রমন কম হয়।
৫। রোগ বালাই ও পোকার আক্রমন বেশি হয়।
৬। দিনের দৈর্ঘ কম, রাতের দৈর্ঘ বেশি থাকে।
৬। রাতের দৈর্ঘ্য কম, দিনের দৈর্ঘ্য বেশি থাকে।
৭। রবি মৌসুমে আলু ফুলকপি, বাধাকপি, টমেটো, মূলা, পালনশাক। পেয়াজ, রসুন, শিম, ইত্যাদি উৎপন্ন হয়।
৭। খরিপ মৌসুমে মিষ্টি কুমড়া, তিল, চিচিঙ্গা, পটল, ধান, পাট, ভূট্টা, মুগ, মাসকলাই,তরমুজ, চিনাবাদাম, আদা, মরিচ সহ নানা রসালো ফলও এ সময় উৎপাদিত হয়


উল্লেখ্য যে, বেগুন শীতকালেই বেশি উৎপাদিত হলেও এটি আসলে সারা বছরই উৎপাদিত হয় তাই ছকে উল্লেখ করা হয়নি।


(গ) মূরগীর দেহের পূষ্টি উপাদানঃ প্রাণি মাত্রই দেহের জন্য নানা পুষ্টি উপাদান যেমন শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন ও খনিজ ইত্যাদি উপাদান দরকার হয়। কিন্তু তথাপি কোন কোন উপাদান কোন কোন প্রাণির এতই কম দরকার হয় যে কোন একটি খাবার থেকে তা গ্রহন করতে পারে। তাই অত্যাবশ্যকীয় উপাদান সেইগুলো যা মূরগীর দেহে আলাদা ভাবে বেশি পরিমানে প্রয়োজন হয়। নিম্নে বর্ণনা করা হলঃ-

শর্করাঃ শর্করা মূরগীর দেহের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। এটি মূরগীর দেহে স্টার্চ বা গ্লাইকোজেন হিসাবে সঞ্চিত হয়। এবং দেহে তাপশক্তিসহ বেচে থাকার সকল প্রকার শক্তি প্রদান করে। চাল,চালের কুড়া, ভূট্টা, গমের ভূসি, শস্যা কণা ইত্যাদি থেকে মূরগী শর্করা পেয়ে থাকে।


আমিষঃ মূরগীর দেহে যথেষ্ট পরিমান আমিষ প্রয়োজন। সাধারনত মাছের শুটকি, ডাল ভাঙ্গা, সয়াবিন, সয়াবিন-সরিষা খৈল, নারকেলের খৈল, হাড়ের গুড়া ইত্যাদি থেকে মূরগী আমিষ পেয়ে থাকে। এছাড়া শর্করা উপাদানের খাদ্য থেকেও অল্প আমিষ পেয়ে থাকে।


পানিঃ পানির অপর নাম জীবন। যেকোন জীবের মতই মূরগীর দেহে প্রচুর বিশুদ্ধ পানির প্রয়োজন হয়।


(পরে দিচ্ছি)

করেছেন
ভাইয়া এ প্রশ্নের উওরগুলো কি মূল্যায়ন নির্দেশক অনুযায়ী উওর করেছেন?
করেছেন
অসংখ্যাবার বলা হয়েছে যে, এই সাইটটি অন্যন্য সাইটের মত নয়। এখানে বই পত্র পড়াশুনা স্কুল কলেজের পড়াশুনা নিয়া প্রশ্ন ও উত্তর করা হয়। এখানে প্রশ্ন গুলোর উত্তর পরীক্ষার খাতায় লেখার উপযোগী। শুধু ব্যসিক ধারনার জন্য উত্তর দেওয়া হয়না। বিশেষ করে বই পত্র বিভাগে। কাজেই এ কথা বলে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলবেন না।

এই সাইট যদি সাধারন উত্তরের মত হত তবে এতদিনে হাজার ইউজার পাওয়া যেত। অধিকাংশ ইউজার সর্বোচ্চ নাম্বার পাওয়ার উপযোগী উত্তর দেয়না বা বেশি লেখার ইচ্ছা তাদের নাই বলে এখানে উত্তরদাতা খুবই কম।

আমরা কৃতজ্ঞ যে, ইউজার কম হওয়া সত্বেও মারুফ ভাই পকেটের টাকা খরচ করে সাইট চালিয়ে যাচ্ছেন।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

8 জন সক্রিয় সদস্য
1 জন নিবন্ধিত সদস্য 7 জন অতিথি
আজকে পরিদর্শন : 6231
...