"স্বাস্থ্য ও শরীর গঠন" বিভাগে করেছেন

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন
এটিকে অনেকেই নাক ডাকা বলে। অনেক কারনে নাক ডাকতে পারে। প্রায় ৭০% ক্ষেত্রে নাক ডাকা একটি রোগ। এর বাকিটা রোগ নয়, রোগের উপসর্গ বা ঘুমের সময় পরিবেশ, বিছানা বা ঘুমানোর স্টাইলের উপর নির্ভর করে। 

ধরুন আপনি এমন ভাবে ঘুমালেন যে বডি একদিক কিন্তু মাথা আরেকদিক। এমন হলে গলার ভেতরের শ্বাসনালি মোচড় খেয়ে সংকুচিত হয় ফলে শ্বাসের শ্বব্দ শোনা যায়। পরিবেশে দুর্গন্ধ বা কড়া ভাজার ঝাজ ছড়ালে শ্বাস নিতে কষ্ট হয় তখন শব্দ হয়।

রোগের ক্ষেত্রে অধিকাংশ মানুষের নাকের ভেতর মাংসল একটি স্তর আছে। তো কিছু মানুষের এইখানে মাংস বৃদ্ধি পেয়ে নাকের ছিদ্র আটকে দেয় একে পলিপাসও বলে থাকে। দিনের বেলা এটি প্রসারন থাকে কম তাই নাক ডাকেনা, কিন্তু ঘুমালে বা ঝিমালে বা তন্দ্রা আসলে শরীর রিলাক্সেশন মোডে যায় বলে এই মাংসল স্তর পাতলা আবরন সৃষ্টি করে যা শ্বাসের সময় কাপতে থাকে। এই কম্পনের ফলেই নাকে শব্দ সৃষ্টি হয়। যাকে নাক ডাকা বলে। 

তবে নাক ডাকার শব্দ তীব্র হওয়ার কারন ফিজিক্স পড়ুয়ারা সহজে বুঝতে পারবে। যদিও উদাহরন দিচ্ছি সবার জন্য সুবিধাটি। টেকনিক হচ্ছে যখন কোন ফাপা লম্বা সিলিন্ডার আকৃতি বায়ু স্তরে শব্দের চাপ সৃষ্টি করা হয় তখন আবদ্ধ সিলিন্ডার পাত্রের বাতাসের লেয়ারে শব্দ অনুনাদ সৃষ্টি করে ফলে তীব্র ফ্রিকোয়েন্সী কম্পন সৃষ্টি হয়ে শব্দ বাড়ে। আমরা নিশ্চয় প্রাইমারী স্কুলে থাকতে কলমের মুখ বা ক্যাপে ফু দিয়া বাজাতাম মনে আছ কি? কখনো করেছেন? আমাদের নাকের সিদ্র এমনি এক মুখ বন্ধ আবদ্ধ পাত্র বা কলমের মুখের মতই। তাই মাংসল স্তরের সামান্য কম্পন অনুনাদ হয়ে তীব্র হয়।

আবার নাকের ভেতর শ্লেষ্মা ঝিল্লী উপস্থিত(এটি দরকারী এবং সবার আছে) কারও কারও এই ঝিল্লী থেকে পাতলা মিউকাস জাতীয় শ্লেশ্মা ক্ষরন হয়(সর্দি হওয়া নয়, সর্দির বিষয় আলাদা, সেটা সবাই জানে)। এটির উপর দিয়া শ্বাস চলার সময় ঘর্ষনজনিত কারনে শব্দের সৃষ্টি হয়।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি উত্তর
06 জুলাই 2019 "বায়োলজি বই" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন উর্বশী উষা
1 উত্তর
16 এপ্রিল "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন mitu
1 উত্তর
09 সেপ্টেম্বর 2020 "নিত্য সমস্যাবলী" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Lamyea Noor
3 জন সক্রিয় সদস্য
0 জন নিবন্ধিত সদস্য 3 জন অতিথি
আজকে পরিদর্শন : 6955
...