0 টি ভোট
"উদ্ভিদ বিজ্ঞান বই" বিভাগে করেছেন (542 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (3.6k পয়েন্ট)

প্রথম কথা হল উদ্ভিদ চলতে পারেনা।

তাই এদের জননকোষের চলার কোন প্রশ্নই ওঠেনা। তবে কিছু কিছু উদ্ভিদ যেমন শৈবাল যারা রেণু উৎন্ন করে। এদের জুস্পোর নামে একপ্রকার রেণু আছে যা চলাচল করতে পারে। 

কিন্তু তবুও তা প্রাণি বা শুক্রাণুর মত নয়। এদের ফ্লাজেলা থাকায় বাতাস বা পানির ঢেউতে এই ফ্লাজেলা আন্দোলিত হয়, তখন এরা পরোক্ষভাবে চলাচল করে।

অন্য উচ্চ শ্রেণীর উদ্ভিদের ক্ষেত্রে জননকোষের এধরনের চলন নেই। মূলত পুংজনন কোষটি বিভিন্ন বাহক যেমন প্রাণি, পাখি, মৌমাছি, পিপড়া, প্রজাপতি বাদুর, বাতাস ইত্যাদি দ্বারা বাহিত হয়ে স্ত্রীননাঙ্গের গর্ভমুন্ডে পতিত হলে পুং জনন কোষটি অনেকটা বীজের মত অংকুরিত হয়ে শিকড়ের মত জনন নালী সৃষ্টি করে। এই জনন নালী শিকড় যেমন মাটির নিচে যায় তেমনি নালীটি গর্ভমুন্ডের দন্ডের ভেতর দিয়া নিচে লম্বা হয়ে প্রবেশ করে গর্ভাশয়ের নিচ থেকে ভেতরে প্রবেশ করে। এবং ডিম্বাশয়ে প্রবেশ করেই ফেটে যায়। জনন নালী যতই লম্বা হতে থাকে ততই উপরে থাকা মূল জনন কোষের ভেতর জনন নিউক্লিয়াস থাকে সেটি বিভাজিত হয়ে সেকেন্ডারী নিউক্লিয়াস ও প্রাথমিক বা নিউসেলাস জনন নিউক্লিয়াস নামক দুটো নিউক্লিয়াস সৃষ্টি হয়ে তা জনন নালীর মধ্য দিয়া প্রবাহিত হয়ে শেষ পর্যন্ত গর্ভাশয়ে প্রবেশ করে, স্ত্রীজনন নিউক্লিয়াসের সাথে মিলিত হয়ে নিষেক ঘটায়।

হ্যা জনন নালীটি ডিম্বাশয়ে প্রবেশ করে প্রান্ত ফেটে উন্মুক্ত হয়ে যায়।

কাজেই এই প্রক্রিয়াকে জননকোষের চলন বলা যায় কিনা জানিনা। উদ্ভিদবিদ্যাতে তো স্পষ্ট চলন বলে উল্লেখ করা হয়নি।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
4 Online Users
0 Member 4 Guest
Today Visits : 9027
Yesterday Visits : 2293
Total Visits : 5086739
...