"রসায়ন বই" বিভাগে করেছেন

চিত্রে প্রশ্ন image

1 উত্তর

+1 টি ভোট
করেছেন

(ক) হাতে কলমে কাজঃ-

উপকরনঃ বাজার থেকে কিছু পরিমান কাপড় কাচা সোডা ও কয়েকটি লেবু কিনে লই।

কয়েকটি বীকার, পানি, পাত্র, লেবু ছেলার ছুরি।

কাজের ধারাঃ

১। প্রথমে লেবুর খোসা ছুরি দিয়া ছাড়িয়ে পরিস্কার কোয়া একটি পাত্রে রাখি

২। এবার লেবুর কোয়া চেপে রস বের করে আরেকটি পাত্রে রাখি।

৩। একটি বীকারে কিছু পরিমান পানি নিয়া তাতে কাপড় কাচা সোড গলিয়ে দ্রবন তৈরি করি।

৪। দ্রবনে লেবুর রস মিশিয়ে দিয়া পর্যবেক্ষন করি।

পর্যবেক্ষনঃ হালকা ছোট ছোট গ্যাসের বুদ বুদ উঠছে।

সতর্কতাঃ-

১। সোডা যেন হাতে না লাগে সে জন্য গ্লাভস পরে নিতে হবে।

২। সতর্কতার সাথে লেবুর খোসা ছাড়াতে হবে যাতে হাত কেটে না যায়।

৩। চোখে চশমা পরে নিতে হবে যাতে লেবুর রস খোসা থেকে উদ্বায়ী বা ছুটে চোখে না লাগে।

(খ) হাতে কলমে কাজঃ-

উপকরনঃ একটি বা দুটি পরিস্কার ডিম, বীকার, মর্টার, পানি, লেবু।

কাজের ধারাঃ-

১। প্রথমে লেবুর খোসা ছুরি দিয়া ছাড়িয়ে পরিস্কার কোয়া একটি পাত্রে রাখি

২। এবার লেবুর কোয়া চেপে রস বের করে আরেকটি পাত্রে রাখি।

৩। এবার খোসা পরিস্কার যুক্ত একটি বা দুটি ডিম লই। এবার আরেকটি পাত্রে ডিম ভেঙ্গে পাত্রে ডিমের ভেতরের অংশ রেখে

ডিমের খোসা পানিতে ধৌত করে শুকিয়ে লই।

৪। মর্টারে ডিমের খোসা পিসে ছোট টুকরা বা গুড়াতে পরিনত করি।

৫। একটি বীকারে ডিমের এই খোসা বা গুড়া নিয়া তাতে আগেই প্রস্তুতকৃত লেবুর রস ঢেলে দিই। প্রয়োজনে সামান্য পানি দেওয়া যাবে। পর্যবেক্ষন করি।

পর্যবেক্ষনঃ-

ডিমের খোসা থেকে বুদবুদ গ্যাস বের হতে দেখা যাচ্ছে।

সতর্কতাঃ-

১। ডিমের খোসায় ময়লা ও ডিমের ভেতরের নরম অংশ যেমন কুসুম লেগে থাকা চলবেনা।

২। ডিমের খোসা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র টুকরা বা গুড়া করে নিতে হবে।

৩। প্রয়োজনে পানি ব্যবহার করলেও তা খুবই কম মাত্রায় হতে হবে।

৪। খোসা যাতে লেবুর রসে নিমর্জিত বা ডুবে থাকে সেই পরিমান লেবুর রস দিতে হবে।

উত্তরঃঃ

(ক)

কাপড় কাচা সোডা হচ্ছে সোডিয়াম কার্বনেট বা Na2CO3 এটি হচ্ছে ক্ষারধর্মী এবং লেবুুুর রসে আছে সাইট্রিিক এসিড বা C₆H₈O₇ এটি মৃদ্যু এসিড
কাজেই এসিড ক্ষারকের প্রশমন বিক্রিয়া হবে


3Na2CO3 + 2C₆H₈O₇ = 2(C₆H5O₇)Na3 + 3CO2 + 3H2O


(C₆H5O₇)Na3 হচ্ছে সোডিয়াম সাইট্রেট(ট্রাই সোডিয়াম সাইট্রেট) ।

এবং পর্যবেক্ষনে বুদবুদ গ্যাসটি ছিল কার্বনডাই অক্সাইড। এ বিক্রিয়া ধীরে সংঘটিত হয়।


আবার ডিমের খোসা হচ্ছে ক্যালসিয়াম কার্বনেট CaCO3 কাজেই এটিও ক্ষারক তাই লেবুর রসের সাথে প্রশমন বিক্রিয়া হবে


3CaCO3 + 2C₆H₈O₇ = Ca3(C6H5O7)2 + 3CO2 + 3H2O


Ca3(C6H5O7)2 হচ্ছে ক্যালসিয়াম সাইট্রেট লবন। এবং ডিমের খোসা থেকে উৎপন্ন বুদবুদ গ্যাসটি হচ্ছে কার্বনডাই অক্সাইড।


২ এর উত্তরঃ-

বিক্রিয়ার ধরনঃ বিক্রিয়া দুটি হচ্ছে জৈব প্রশমন বিক্রিয়া।

এখানে ক্যালসিয়াম কার্বনেট ও সোডিয়াম কার্বনেট উভয় ক্ষারক ধর্মী। যদিও কার্বনিক এসিড বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে এই দুটি যৌগ হচ্ছে কার্বনেট লবন। কিন্তু এটি দুর্বল লবন এবং কার্বনেট এর সক্রিয়তা কম হওয়ার জন্য এটি সবসময় ভেঙ্গে যাওয়ার প্রবনতা দেখায়। এ কারনে এটি ক্ষারকধর্মী বৈশিষ্ট প্রদর্শন করে। অন্যদিকে লেবুর রস হচ্ছে সাইট্রিক এসিড। সুতরাং এসিড ক্ষারক বিক্রিয়া হচ্ছে প্রশমন বিক্রিয়া।  অন্যদিকে কার্বনেট লবণ সাইট্রেট আয়নের উপস্থিতিতে  ভেঙ্গে যায়। তাই এটি দ্বিবিয়োজন ও প্রশমন বিক্রিয়ার সমষটিগত রুপ একটি জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া।



করেছেন
আপনাকে ধন্যবাদ ।

আমার প্রশ্ন হচ্ছে ,

পুরোনো অপরিষ্কার ডিমের খোসায় হবে ?

আরেকটি প্রশ্ন ,

Na2CO3 + C₆H₈O₇ = C₆H6O₇Na2 + CO2 + H2O

N N টা কিসের জন্য হয়েছে ?

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

4 জন সক্রিয় সদস্য
0 জন নিবন্ধিত সদস্য 4 জন অতিথি
আজকে পরিদর্শন : 6460
...