0 টি ভোট
"সাধারণ বিজ্ঞান" বিভাগে করেছেন (12 পয়েন্ট)
সম্পাদিত করেছেন
নিধি তাদের বাগানের পেয়ারা গাছে পানি দিতে গিয়ে দেখল ছোট পেয়ারা গাছটি ছয় মাসে অনেক লম্বা হয়েছে। সে তার মায়ের কাছে জানল, কোষ বিভাজনের কারনে এমন হয়েছে। পরে মা গাছটিতে কিছু জৈব সার প্রয়োগ করলেন। মেয়ে মাকে জিজ্ঞেস করল, " মা, তুমি মাটিতে সার দিচ্ছ। কিন্তু পাতায় পৌঁছাবে কি করে?" মা উত্তরে বললেন, " এক বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।"

ঘ.  মায়ের উত্তরে বলা বিশেষ প্রক্রিয়াটির গুরুত্ব উদ্ভিদের জীবনে        কতটুকু?
করেছেন (3.6k পয়েন্ট)
ঘ নাম্বারে কি আছে লিখে দিন, আমাদের কাছে প্রশ্ন উদ্দিপক নাই, কাজেই লিখে দিন
করেছেন (10 পয়েন্ট)
পৃথিবীতে অসংখ্য ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছাত্রক ওএন্টিমিবা আছে।এদের সবার গঠন ও বৈশিষ্ট্য এক রকম নয়। এদের মধ্যে প্রকৃতিতে কিছু ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া মানুষের উপকার ও অপকার করে থাকে।

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (3.6k পয়েন্ট)
মা উত্তরে যে বিশেষ প্রক্রিয়াটির কথা বলেছিল তা হচ্ছে অভিস্রাবন প্রক্রিয়া। তবে দেহের ভেতর দিয়া পানি ও খনিজ পরিবহন পদ্ধতিতে জাইলেম টিস্যু দ্বারা উপরে যায়। 

অভিস্রাবনের গুরুত্বপূর্ণঃঃ

উদ্ভিদ জীবনে অভিস্রাবনের গুরুত্ব অপরিসীম। 

উদ্ভিদ সুর্যালোকের সাহায্যে কার্বনডাই অক্সাইড দিয়া সালোক সংশ্লেষন প্রক্রিয়ায় নিজের খাদ্য নিজে প্রস্তুত করে। 

কিন্তু তবুও এই খাদ্য প্রস্তুতের জন্য পানি ও খনিজ লবনও অপরিহার্য। হাইড্রোজেন ছাড়া শর্করা তৈরি হয়না। এই হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন, পানি থেকেই গ্রহন করে উদ্ভিদ। এছাড়া খাদ্য তৈরির বিভিন্ন ধাপে বিক্রিয়া এজেন্ট, প্রভাবক, বাহক, লিগান্ড ইত্যাদি কাজের জন্য খনিজ লবন অপরিহার্য যা এই অভিস্রাবন প্রক্রিয়ায় উত্তোলীত হয়ে জাইলেমের মধ্য দিয়া পাতায় যায়। 

তাই এই বিশেষ প্রক্রিয়া না ঘটলে উদ্ভিদ নিজ খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারত না বলে উদ্ভিদকূল খাদ্যাভাবে ধ্বংস হয়ে যেত।

আর প্রাণিরা নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারেনা। তারা উদ্ভিদের সঞ্চিত খাদ্যের উপর নির্ভরশীল। যেমন ফল, বী, পাতা ইত্যাদি। তাই মানুষ ও অন্যন্য সকল প্রাণি উদ্ভিদের এই অভিস্রাবন ও পরিবন প্রক্রিয়ার উপর পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল। 

কাজেই এই প্রক্রিয়া না ঘটলে জীবকূল বিলীন হয়ে যেত। পৃথিবীতে তাই জীবকুল বিশেষত মানুষ বেচে থাকার জন্য উদ্ভিদের এই বিশেষ প্রক্রিয়ার কোন বিকল্প নাই।
করেছেন (3.6k পয়েন্ট)
দেখেন এটা অনলাইন টিচিং হেল্প প্রক্রিয়া। আমি আপনার ব্যক্তিগত শিক্ষক তো নই। আমি যেটা জানি সেটা আমি লিখে দিলাম। আপনারা যদি এর চেয়ে ভাল জানেন তাহলে আপনারা সেটাই লেখেন। আপনাদের ব্যক্তিগত শিক্ষক যেটা শিখিয়েছেন, আপনারা সেটাই লেখেন। আমার লেখা আপনাদের লিখতেই হবে এমন কোন ব্যাপার বা বাধ্যবাধকতা নাই। শুধু এটাই মনে রাখবা যে, তোমরাই যদি কোনটা কি হবে এসকল বিষয় জানতে তাহলে তোমরাই শিক্ষক হয়ে যেতে, তোমাদের শেখা লাগতনা। তোমার জ্ঞান তোমার শ্রেণির বই পর্যন্ত। আর শিক্ষকরা আরো উপরের বই পত্র পড়ে, সকল শ্রেণি শেষ করেই শিক্ষক হয়েছে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
0 টি উত্তর
8 Online Users
0 Member 8 Guest
Today Visits : 8807
Yesterday Visits : 2293
Total Visits : 5086519
...