"বাংলা প্রথম পত্র" বিভাগে করেছেন

ব্যাখ্যা করimage

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন
কাবুলিওয়ালা ছিল খুবই শান্ত ভদ্র আর হাসি খুশি, কৌতুক প্রিয় শিশু বাৎসাল্য ব্যক্তি।
প্রথমে মিনু কাবুলিওয়ালার বেশ ভুসা দেখে একটু ভয় পেলেও পরে কাবুলিওয়ালার সাথে তার সখ্যতা গড়ে ওঠে।
কাবুলিওয়ালা শিশু বাৎসাল্য হওয়ায় তিনি মিনুকে আঙ্গুর সহ তাকে নানা খাবার দিতেন এবং মিষ্টি হাসি দিয়া কথা বলতেন। সে হাসিতে কৌতুক মাখা মুখাভিনয় ছিল। কোন ভয়ংকার বা ভিতিকর চেহারা ছিল না। তাই মিনু আস্তে আসতে কাবুলিওয়ালার কাছে আসতে সাহস দেখাল।
মিনু যখন কাবুলিওয়ালার কাছে আসত তখন কাবুলিওয়ালা মায়াবী এক অদ্ভুদ সূরে বাশি বাজিয়ে মিনুকে শোনাত। নানা গল্প এমনকি মিনুর শশুর বাড়ি যাওয়া নিয়েও কৌতুক করতেন। মিনু শশুর বাড়ি না বুঝলেও তার যে উত্তর ছিল তাতে কাবুলিওয়ালা হাসিতে মিনুর মন ভরিয়ে তুলত। এভাবে মিনু পেয়ে যায় তার একন খেলার সাথি, ভাল বন্ধু। তাই কাবুলিওয়ালাকে সে আপন ভেবে এক মাইয়ার বাধনে বেধে মিনু কাবুলিওয়ালার সাথে তার সখ্যতা গড়ে তুলেছিল। এই মায়ার বাধন ছিল শিশুসুলভ এক মুক্তাঝরা হাসির হৃদয়, নিষ্পাপ এক অমোঘ খেলার সাথীর প্রেম। যেখানে শুধু মাত্র মায়ের ভালবাসার পরই পিতার আদর স্নেহ মাখা ভালবাসা। মিনু তা উপভোগ করার জন্যই কাবুলিওয়ালার সাথে সখ্য গড়ে ওঠে বেশ দ্রুতই।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

6 জন সক্রিয় সদস্য
0 জন নিবন্ধিত সদস্য 6 জন অতিথি
আজকে পরিদর্শন : 5454
...