"ইসলাম" বিভাগে করেছেন
কুফরী কি?

কুফর ও শিরকের পরিণতি কি

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন

৩া কুফরীর কুফল ও কুফরীর পরিনাম: কুফর এর কুফল ও পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। এটি নৈতিকতা ও মানবিক আদর্শের বিপরীত। কেননা আল্লাহ তাআলা আমাদের শ্রষ্ঠা। তিনি আমাদের রিজিকদাতা, পালনকর্তা ও রক্ষা কর্তা। সুতরাং মহান আল্লাহকে অবিশ্বাস করা কিংবা তার বিধান অস্বীকার করা কোনক্রমেই উচিত নয়। এগুলো কৃতজ্ঞতার শামিল। কুফরের কুফল ও কুফরীর পরিনাম নিয়ে আলোচনা করা হলাে

১. জাহান্নাম প্রাপ্ত যারা কুফরী করে অর্থাৎ আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস করে না তারা জাহান্নামে নিমজ্জিত হবে যেখানে তারা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি ভোগ করবে। আল্লাহ তায়ালা বলেন“আর যারা কুফরী করে এবং আমার নিদর্শন গুলো মিথ্যা প্রতিপন্ন করে তারাই জাহান্নামের অধিবাসী। তারা সেখানে চিরকাল থাকবে। (সূরা আল বাকারা, আয়াত-৩৯)। 

২. ঈমান না থাকা: যারা কুফরী করে বা আল্লাহর একত্ববাদের বিশ্বাস করে না তারা ঈমানদার থাকে না। কুফর এর সাথে জড়িত ব্যক্তিদের কে কোন ভাবেই ঈমানদার বলা যায়না। কখনো কোনো ভাবে কোহলির সাথে জড়িত হলে ঈমান চলে যায় এবং সাথে সাথে পুনরায় ঈমান আনতে হয়। 

৪। শিরকের কুফল ও পরিণতি: শিরক শব্দের অর্থ অংশীদার সাব্যস্ত করা বা সমকক্ষ মনে করা।। ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায় আল্লাহ তায়ালার সাথে অন্য কিছুকে অংশীদার করা বা সাব্যস্ত করা কি শিরক বলে। শিরকের কুফল ও পরিণতি: শিরক একটি অত্যন্ত জঘন্যতম অপরাধ। আল্লাহ তায়ালা বলেন- “নিশ্চয়ই শিরক চরম জুলুম” (সূরা লোকমান, আয়াত-১৩)। ১. আল্লাহর সাথে অন্যায়: শিরক-কারী আল্লাহ তা'আলার একত্ববাদ এর সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করে। সে আল্লাহর সাথে অন্যান্য সমকক্ষ তৈরি করে। তাই শিরক আল্লাহ তা'আলার সাথে এক রকম অন্যায় করা।

২.মর্যাদাহানি: শিরক মানুষের জন্য মর্যাদাহানিকর একটি কাজ। মানুষ আশরাফুল মাখলুকাত অথচ শিরক-কারী রাজার সৃষ্টির কাছে নিজেদের মাথা নত করে যাতে তাদের মর্যাদাহানি হয়। ৩. ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ: মহান আল্লাহ তাআলা শিরকের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের ক্ষমা করেন না। শিরকের পরিণত দ্বন্দ্ব ভয়াবহ। আল্লাহ তায়ালা বলেন – “নিশ্চয়ই আল্লাহ তার সাথে শিরক করার অপরাধ ক্ষমা করেন না। তা ব্যতীত অন্য যে কোন পাপ যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন” (সূরা আন নিসা, আয়াত ১১৬)

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি উত্তর
7 জন সক্রিয় সদস্য
2 জন নিবন্ধিত সদস্য 5 জন অতিথি
আজকে পরিদর্শন : 3286
...