"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস এবং নৈতিকতা" বিভাগে করেছেন
কোরান মাজীদ

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন
আল কোরআন হচ্ছে সমস্ত জ্ঞানের ভান্ডার।

আল কোরআন সরাসরি আল্লাহতায়ালার কাছ থেকে ফেরেস্তা মাধ্যমে হযরত মোহাম্মাদ (সাঃ) এর কাছে নাযিল হয়।

তৎকালীন সমাজে ন্যায়নীতি বলে কিছু ছিলনা। মানুষের মাঝে ভাল পরিকল্পনার জ্ঞান ছিলনা। ছিলনা কোন জীবন বীধান। সবরকম অন্যায় অত্যাচার ছিল সেই যুগের বৈশিষ্ট। কণ্যা সন্তানকে পর্যন্ত জীবনতো কবর দেওয়া হত। এই যুগকে বলে আইয়ামে জাহেলিয়া বা অন্ধকারাচ্ছন্ন যুগ। ঠিক সেই সেই কোরআন নাযিল হয় মানুষকে জ্ঞান প্রদানের জন্য, মানুষকে সুন্দর জীবন বিধান দেওয়ার জন্য যাতে তারা পৃথিবীতে উন্নতি করে শান্তিপূর্ন বসবাস ও আল্লাহুতায়ালার ইবাদাত করতে পারে। সমাজ থেকে অন্ধকার দূর করতে তাই নাযিল হয়েছে কোরআন।

আর যেহেতু এত কিচু করে মানুষকে হেদায়াত প্রদানের জন্যই কোরআন নাযিল হয়েছে তাই কোরআন হচ্ছে পূর্ণাংগ জীবন বিধান। এ পৃথিবীতে কিভাবে জীবন নির্বাহ, ন্যায় বিচার করতে হবে। তা সুন্দর ভাবে বর্নিত হয়েছে। বর্ণিত হয়েছে হারাম হালাল খাদ্য বা ভাল খাদ্যের কথা। জ্ঞান বিজ্ঞানের চিন্তা গবেষনাও এসেছে এই কোরআন থেকে।

কোরআনের বানী প্রচার করার পর মানুষ কোরআনের আলোয় আলোকিত হয়ে উঠল। রচিত হল সুন্দর এই বিশ্ব। মানুষের মাঝে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হল। কোরআনের নানা বানি ও নির্দেশনা গবেষনা করে সন্ধান পাওয়া গেল নানা বৈজ্ঞানিক থিউরি ও আবিষ্কারের পথ। বিশ্বের কোথায় কি আছে। সামান্য একটি বস্তু খন্ডের মাঝে কি ক্ষমতা লুকিয়ে আছে। মহাবিশ্ব কেমন, কিভাবে এ বিশ্ব পরিচালিত হচ্ছে ইত্যাদির ধারনা সবকিছুই এসেছে কোরআনের বানী থেকে।

তাই বলা যায় যে, কোরআনই সমস্ত জ্ঞানের আধার বা ভান্ডার।

এ সম্পর্কিত কোন প্রশ্ন খুঁজে পাওয়া গেল না

9 জন সক্রিয় সদস্য
0 জন নিবন্ধিত সদস্য 9 জন অতিথি
আজকে পরিদর্শন : 3366
...