"সাধারণ বিজ্ঞান" বিভাগে করেছেন
এ্যাসাইনমেন্ট/নির্ধারিতকাজ: 
১। নিধিতাদের বাগানে পেয়ারা গাছে পানি দিতে গিয়ে দেখল, ছােট পেয়ারা গাছটি ছয় মাসে অনেক লম্বা হয়েছে।
সেতার মায়ের কাছে জানল, কোষ বিভাজনের কারনে এমন হয়েছে। পরে মা গাছটিতে কিছু জৈব সার প্রয়ােগ করলেন।
মেয়ে মাকে জিজ্ঞেস করল, “মা, তুমি মাটিতে সার দিচ্ছ, কিন্তু তা পাতায় পৌছাবে কী করে”। মা জানালেন “এক বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে”।
ক) কোষ বিভাজন কাকে বলে?খ) মিয়ােসিস কোষ বিভাজন কে হ্রাস মূলক বিভাজন বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা কর।গ) উদ্দীপকে উল্লিখিত বিভাজন প্রক্রিয়ার দীর্ঘস্থায়ী ধাপটি উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে কীভাবে ভুমিকা রাখে। ব্যাখ্যা কর।ঘ) মায়ের উত্তরে বলা বিশেষ প্রক্রিয়াটির গুরুত্ব উদ্ভিদের জীবনে কত খানি-তা বিশ্লেষণ কর।
করেছেন
স্যার,ঘ নং এর উত্তর পরিবহন প্রক্রিয়া হবে না?কারণ এখানে তো পাতায় পুষ্টি পৌঁছানোর কথা বলেছে।পরিবহনের মাধ্যমেই তো উদ্ভিদ মূলরোমের সাহায্যে শোষিত পানি ও খনিজ লবণ মূল থেকে পাতায় পৌঁছায়। 
করেছেন
ভাল করে খেয়াল করুন, উদ্দিপকে মা বলেছিলেন এক বিশেষ প্রক্রিয়া। আর এই বিশেষ প্রক্রিয়াটি হচ্ছে অভিস্রাবন। আপনি যে পরিবহনের কথা বলছেন সেটা প্রক্রিয়া বা কোন পদ্ধতি নয়। পরিবহন হচ্ছে স্থানান্তর, যার মাধ্যমে প্রবাহিত হয় সেটা। কিন্তু কিভাবে কোন টেকনিকে প্রবাহিত হয় তা নয়।
করেছেন
ভালো করলে দেখলে বুঝা যায়, মেয়ে প্রশ্ন করেছে যে, তা পাতায় পৌঁছাবে কিভাবে? 

তাই এখানে মূলত পানি ও খনিজ লবণ যে পরিবহন প্রক্রিয়ায় অর্থাৎ জাইলেম বাহিকার মাধ্যমে যে পরিবহন হয় তাকে নির্দেশ করা হয়েছে। এর সাথে পানি ও খনিজ লবণ যে ভাবে উদ্ভিদে প্রবেশ করে তাও উল্লেখ করা যায়।
করেছেন
কিন্তু,বইয়ে এক জায়গায় উল্লেখ অাছে পরিবহন একটি প্রক্রিয়া।অপরদিকে অভিস্রবণ তো মূলত উদ্ভিদের পানি উত্তোলন প্রক্রিয়া।
করেছেন
ধন্যবাদ অামারও তাই মনে হয়।

2 উত্তর

+2 টি ভোট
করেছেন

উত্তরঃ

(ক) কোষ বিভাজনঃ যে প্রক্রিয়ায় একটি কোষ তার গঠনের সকল প্রকার উপাদানসহ ও গাঠনিক ভাবে হুবুহুও একটি থেকে ভাগ হয়ে স্বতন্ত্র দুটি কোষে পরিণত হয় তাকে বিভাজন বলে।

(খ মিয়োসিস কোষ বিভাজনঃ যে প্রক্রিয়ায় একটি জনন মাতৃকোষ বিভিন্ন ধাপে বিভাজিত হয়ে ৪টি নতুন আপত্য কোষে পরিণত হয় তাকে মিয়োসিস কোষ বিভাজন বলে।

হ্রাসমূলক বিভাজন বলার কারনঃ হ্রাস অর্থ কম বা কমে যাওয়া। মিয়োসিস কোষ বিভাজনের সময় জনন মাতৃকোষটি বিভাজিত হয়ে যে ৪টি আপত্য কোষে পরিণত হয় সেই নতুন কোষে ক্রোমোসোম(ক্রোমোজম) সংখ্যা মাতৃকোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার অর্ধেক হয়ে যায়। যেমন ধরি মাতৃ কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা ২০ টি তাহলে নতুন আপত্য কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা হবে ১০ টি। যেহেতু মাতৃ কোষে যে সংখ্যা থাকে তার চেয়ে অর্ধেক কমে যায় নতুন আপত্য কোষে তাই একে হ্রাসমূলক বিভাজন বলা হয়। 

(গ) উদ্দিপকে যে  কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় পেয়ারা গাছটি ছোট থেকে বড় হয়েছে, সেটি হচ্ছে মাইটোসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া। মাইটোসিস কোষ বিভাজন ঘটে জীবের দেহকোষে। এর ফলে জীব ছোট থেকে বড় হয়।
উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে মাইটোসিসের ভূমিকাঃ মাইটোসিস এক প্রকার কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়া জটিল ৫টি ধাপে সম্পর্ন হয়ে একটি কোষ ্বিভাজিত হয়ে দুটো কোষের সৃষ্টি হয়। যেহেতু মাইটোসিস প্রক্রিয়া জীবের দেহ কোষে ঘটে। তাই এই প্রক্রিয়ায় একটি থেকে দুটি কোষ, দুটি থেকে চারটি কোষ এভাবে দেহে কোষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। এভাবে দেহের কোষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে দেহও মোটা লম্বা হয়ে বৃদ্ধি পায়। উদ্ভিদের শীর্ষে যে ভাজক কোষ থাকে। এই কোষ বার বার বিভাজিত হয় এমন লক্ষ কোটি দৈহিক কোষ সৃষ্টি করে বলে উদ্ভিদ লম্বা হয়। এ ভাবে পেয়ারা গাছের দেহে কোষ বিভাজিত হয়ে বৃদ্ধি পেয়ে পেয়ারা গাছ লম্বা হয়েছে। আবার দেহে যে কোষ সৃষ্টি হয় তা আবার মোটা হয় ও পার্শে বিভাজিত হয় ফলে দেহ মোটা হয়। যদি উদ্ভিদ দেহে মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় কোষ বিভাজিত না হত তবে কোষের সংখ্যা বৃদ্ধি পেত না ফলে উদ্ভিদ ছোট থেকে বড় হত না। তাই উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে মাইটোসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। এই বিভাজনের ফলে উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গ ডাল পালা ফল বীজ ইত্যাদি সৃষ্টি হয়। তাই মাইটোসিস প্রক্রিয়া না ঘটলে সমস্ত উদ্ভিদকুল ধ্বংস হয়ে যেত।

(ঘ) উদ্দিপকে মেয়ের জিজ্ঞাসায় মা যে বিশেষ প্রক্রিয়াটি বলেন সেটি হচ্ছে অভিস্রাবন প্রক্রিয়া। মূলত অনেকগুলো নিয়ামকের প্রভাবে উদ্ভিদ মাটি থেকে পানি ও খনিজ লবন পরিশোষন করে থাকে। নিয়ামক, প্রভাবক ইত্যাদি বাদ দিলে শুধু মাত্র অভিস্রাবন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ভিদ জৈব সার সহ খনিজ লবন পানি ইত্যাদি মূল দিয়ে শোষন করার পর দেহের মধ্য দিয়ে পাতায় পৌছায়।
অভিস্রাবনঃ অভিস্রাবন হচ্ছে দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবনকে একটি বৈষম্যভেদ্য ঝিল্লী দ্বারা পৃথক করে রাখলে নিম্ন ঘনত্বের দ্রবন থেকে উচ্চ ঘনত্বের দ্রবনের দিকে দ্রাবক প্রবাহিত হওয়া।
উদ্ভিদ জীবনে  অভিস্রাবনের গুরুত্বঃ অভিস্রাবন হচ্ছে এক প্রকার পানি উত্তোলন প্রক্রিয়া।
উদ্ভিদের বেচে থাকার জন্য, সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি সহ দৈহিক নানা ক্রিয়া বিক্রিয়ায় পানি প্রয়োজন। এই পানি অভিস্রাবন প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ মাটি থেকে শোষন করে থাকে। ফলে অভিস্রাবন না ঘটলে উদ্ভিদ পানির অভাবে এসকল কাজ করতে না পেরে মারা যেত।
খাদ্য তৈরির জন্য শূধু পানি নয় কিছু খনিজ লবনও প্রয়োজন যা খাদ্য তৈরি এজেন্ট হিসাবে ব্যবহার হয়। এছাড়া দেহে কোষ বিভাজন, নতুন কোষের উপাদান সংগ্রহ ইত্যাদি প্রয়োজনে খনিজ লবনের প্রয়োজন অনেক বেশি। উদ্ভিদ অভিস্রাবন প্রক্রিয়ায় অসমোসিস চাপ ও টানের প্রভাবে পানির সাথে খনিল লবন তথা জৈব সার অজৈব সার হিউমাস ইত্যাদি মাটি থেকে সংগ্রহ করে ও দেহ অভ্যান্তর দিয়া তা পাতাতে পরিবহন করে নিয়া যায়।
এসকল বিষয় থেকে পরিষ্কার বোঝা যায় যে, অভিস্রাবন এক গুরুত্ব পূর্ণ প্রক্রিয়া, এটি উদ্ভিদ জীবনে এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে এটি ছাড়া উদ্ভিদের বেচে থাকাটাই অস্মভব।



করেছেন
স্যার গ নং তো বলা হয়েছে উদ্দীপকে উল্লেখিত কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ার দীর্ঘস্থাযী ধাপটি উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে কিভাবে ভূমিকা রাখে ব্যাখ্যা কর।কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া মাইটোসিস কিন্তু মাইটোসিস কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ার দীর্ঘস্থাযী ধাপ তো প্রোফেজ।অর্থাৎ প্রোফেজ ধাপটি উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে কিভাবে ভূমিকা রাখে সেটি ব্যাখ্যা করতে হবে।কিন্তু আপনি তো মাইটোসিসের কথা লিখেছেন 
করেছেন
না বিষয়টি তা নয়, কোষ বিভাজনের তিনটি ধাপ আছে, যেমন ইন্টারফেজ দশা। বিভাজন দশা বা ক্যারিওকাইনেসিস এবং পৃথকীকরন দশা বা সাইটোকাইনেসিস।

এর মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী দশা ক্যারিওকাইনেসিস তথা প্রোফেজ, প্রোমেটাফেজ এইগুলো। 

তুমি যা বলছ, প্রোফেজ স্তরের গুরুত্ব। এটি একক ভাবে এভাবে গুরুত্ব বর্ণনা করা যায়না। উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে টোটাল প্রক্রিয়াটির গুরুত্ব হয়, কোন এক অংশের আলাদা গুরুত্ব নাই।  প্রোফেজ এখানে কি করবে যদি অন্য দশা গুলো না থাকে। তোমার বুঝতে ভুল হয়েছে।
করেছেন
স্যার ঘ নম্বরে কি ব্যাপনের কোনো ভূমিকা আছে?

অর্থাৎ পুষ্টি উপাদান পাতায় পৌঁছাতে ব্যাপনের কি কোনো ভূমিকা আছে? 
করেছেন

না ব্যাপনের ভূমিকা নাই, পুষ্টি উপাদান মাটি থেকে মূলের মাধ্যমে শোষন করে অভস্রাবন প্রক্রিয়ায়। এর পর মূল থেকে কান্ড বেয়ে

 উপরে উঠে পাতায় যায়  পরিবহন সিস্টেমের জাইলেম টিস্যু দ্বারা। আর পানি ও খনিজ দেহের ভেতর দিয়াও অভিস্রাবনিক চাপেই উপরে ওঠে। তবে আরো কিছু প্রভাবক আছে যেমন প্রস্বেদন প্রক্রিয়ার গুরুত্বও অনেক।

কিন্তু ব্যাপনের ভূমিকা খুবই কম। ব্যাপন হচ্ছে উচ্চতর ঘন দ্রবন থেকে নিম্ন ঘন দ্রবনের দিকে দ্রব পরিবাহিত হওয়া। আর উদ্ভিদে উপরের দিকে অভিকর্ষ বলের বিরুদ্ধে ফাকা বা সহজ স্থান ছাড়া ব্যাপন সম্ভব নয়।
করেছেন

স্যার এ প্রশ্নটির উত্তর দিন।   এই উত্তরটা পেলে clear হতে পারবো 

করেছেন
মূল্যয়ন নিদর্শক এ তো দেওয়া আছে গ নং প্রফেজ ধাপের উপর
করেছেন
যদি এটা দেওয়া থাকে তবে তারা ভূল লিখেছে। মাইটোসিসের ভূমিকাটাই আপনি প্রোফেজ ধাপের নামে লিখে দিন।

যদি সন্দেহ থাকে তবে উচ্চতর বইতে দেখে নিতে পারেন।
করেছেন
Sir ঘ কি অভিস্রবণ  প্রস্বেদন পরিবহন মিলিয়ে লিখলে হবে না?
করেছেন
প্রস্বেদন পরিববহনকে প্রভাবক হিসাবে উল্লেখ করবে, মূল ব্যাখ্যায় আসবেনা, মুল পদ্ধতি অভিস্রাবন। 
+1 টি ভোট
করেছেন

ক ) কোষ বিভাজন: যে প্রক্রিয়ায় জীব কোষের বিভক্তির মাধ্যমে একটি থেকে দুটি বা চারটি কোষের সৃষ্টি হয় তাকে কোষ বিভাজন বলে। 


 (খ ) জননকোষে উৎপন্নের সময় মিয়োসিস কোষ বিভাজন ঘটে। এ ধরনের কোষ বিভাজনে মাতৃ কোষের নিউক্লিয়াসটি পরপর দুবার বিভাজিত হলেও ক্রোমোজোমের বিভাজন ঘটে মাত্র একবার। ফলে অপত্য কোষে ক্রোমোজোমের সংখ্যা অর্ধেক হয়ে যায় ।এ বিভাজনে ক্রোমোজোমের সংখ্যা অর্ধেক হ্রাস পায় বলে এ ধরনের বিভাজনকে হ্রাসমূলক বিভাজনও বলা হয়.।

 (গ ) উদ্দীপকের উদ্ভিদটি দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়েছে ।অর্থাৎ উদ্ভিদটি তে যে বিভাজন হয়েছে তা হলো মাইটোসিস বিভাজন। মাইটোসিস বিভাজন প্রক্রিয়ার পাঁচটি ধাপ এর মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী হলো প্রোফেজ। প্রোফেজ ধাপে কোষের নিউক্লিয়াস আকারে বড় হয়। উদ্ভিদের ক্ষেত্রে শিশু উদ্ভিদ বা চারাগাছ ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়ে পূর্ণাঙ্গ উদ্ভিদে পরিণত হয। প্রোফেজ ধাপ উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে নিম্নলিখিত ভূমিকা রাখে: 

 ১. উদ্ভিদের দৈহিক বৃদ্ধি গঠন: উদ্ভিদের জীবন শুরু হয় জাইগোট নামের একটি কোষ থেকে। এ কোষটি বিভাজনের মাধ্যমে বহুকোষী উদ্ভিদ দেহ গঠন করে। 

 ২. উদ্ভিদের নির্দিষ্ট আকার আয়তন রক্ষা রক্ষা: মাইটোসিস বিভাজনের প্রোফেজ প্রক্রিয়ার ফলে উদ্ভিদ কোষের স্বাভাবিক আকার, আয়তন, আকৃতি ইত্যাদি গুনাগুন বজায় থাকে। 
 ৩. নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম এর ভারসাম্য রক্ষা: উদ্ভিদ কোষের সাইটোপ্লাজম এ অবস্থিত বিভিন্ন ক্ষুদ্রান্ত ও রাসায়নিক উপাদানের পরিমাণগত ও নিয়ন্ত্রণগত ভারসাম্য মাইটোসিস বিভাজনের মাধ্যমে রক্ষিত হয়। 
 ৪. উদ্ভিদের ক্ষতস্থান পূরণে: উদ্ভিদের কোন স্থান ক্ষতিগ্রস্ত হলে মাইটোসিস বিভাজনের মাধ্যমে সে কত স্থান পূরণ হয়। জীবের দৈহিক বৃদ্ধি মাইটোসিস প্রক্রিয়ার ফল। 

 (ঘ) নিধিতার মায়ের উত্তরে বলা অভিস্রবণ। অভিস্রবণ প্রক্রিয়া টি উদ্ভিদের জীবনে অতীব গুরুত্বপূর্ণ। নিচে বিশ্লেষণ করা হলো:

 ১. বিভিন্ন প্রয়োজনীয় লবণ উদ্ভিদ দেহে দ্রবীভূত অবস্থায় জীবকোষে প্রবেশ করে। জীবকোষের আবরণ অর্ধভেদ্য পর্দা হিসেবে কাজ করে। এ পর্দা দিয়ে অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় পানিতে দ্রবীভূত বিভিন্ন খনিজ লবণ কোষের মধ্যে প্রবেশ করে বা বাইরে আসে। 
 ২. উদ্ভিদের মূলরোম দিয়ে পানি পরিশোষণ অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় হয়ে থাকে।
 ৩. পত্ররন্ধ্র খোলা ও বন্ধ হওয়া অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় নিয়ন্ত্রিত হয় ।তাই অভিস্রবণ প্রক্রিয়া প্রস্বেদনের হার নিয়ন্ত্রণ করে। 
 ৪. কোষের স্বাভাবিক স্ফীতি অবস্থা বজায় রাখা এবং বৃদ্ধির জন্য কোষস্ফীতি আবশ্যক। অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় পানি গ্রহণ করে কোষস্ফীত অবস্থা প্রাপ্ত হয়।
 ৫. মূল থেকে পাতা পর্যন্ত বিভিন্ন জীবিত কোষে প্রয়োজনীয় পানি পৌঁছানোর পেছনে অভিস্রবণ প্রক্রিয়া সক্রিয়। 

 ৬. ফুলের পাপড়ি খোলা বন্ধ হওয়া, বীজের অঙ্কুরোদগম ইত্যাদি সাফল্য অভিস্রবণ এর উপর নির্ভর করে। তাই বলা যায়, উদ্ভিদের জীবনে অভিস্রবণ প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

5 জন সক্রিয় সদস্য
0 জন নিবন্ধিত সদস্য 5 জন অতিথি
আজকে পরিদর্শন : 3645
...