"বাংলা প্রথম পত্র" বিভাগে করেছেন
কাবুলিওয়ালা গল্পে আহনাফের মায়ের সাথে মিনির মায়ের মধ্যে পার্থক্য
করেছেন

উদ্দীপকে আহনাফের মায়ের সাথে 'কাবুলিওয়ালা' গল্পের মিনির মা কোনদিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ?_ ব্যাখ্যা কর৷

করেছেন

AITER ANSWER CHAI


করেছেন
সন্ধার পর লিখে দিবানি
করেছেন
উদ্দিপক কই? তাড়াতাড়ি উদ্দিপকটি দিন
করেছেন
উদ্দীপকের মনোয়ারা হোসেনের চরিত্রে   কাবুলিওয়ালা গল্পের মুল ভাবের প্রতিফলন ঘটেছে । উক্তিটির যথার্থভ বিশ্লেষ্ণ কর? 
করেছেন
আহনাফের মা এই বিষ্যটিকে ভালোভাবে গ্রহন করেন স্বামীকে এবিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন 

2 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন
মিনুর মায়ের প্রকৃতিঃ মিনুর মা অতিশয় সন্তান বাৎসাল্য হলেও প্রতিটি মায়ের মনে সন্তানের প্রতি এক বিশেষ টানের জন্য অন্যের উপর কিছুটা সন্দেহ প্রবণ। প্রতিটি মা ভাবেন কেউ তার সন্তানকে আদর সোহাগ দিয়া ভূলিয়ে তার থেকে আলাদা করে নিয়ে যেতে পারে। অথবা ছোট শিশুকে আদর ভালবাসা দিয়া তাকে হয়ত তুলে নিয়া যেতে পারে। কাবুলিওয়ালা গল্পে মিনুর মাও এর ব্যতিক্রম ছিলেন না। কাবুলিওয়াকে আগে থেকে চিনলেও তার সম্পর্কে বেশি কিছু জানতেন না। হঠাত এমন অপরিচিত বা অর্ধঃপরিচিত লোক বার বার কোন শিশুকে খাবার দিবে, আদর সোহাগ দিবে? নিশ্চয় কোন গোপন মতলব আছে। এই ভেবে মিনুর মা সদা সতর্ক থাকতেন আর তাই তিনি লেখককে চোখে চোখে দেখে একটু খোজ খবর নিতে বলেছিলেন যাতে তাহার সন্তানের সুরক্ষা বজায় থাকে। এক কথায় মিনুর মা কাবুলিওয়ালাকে সন্দেহ করতেন।

উদ্দিপকে আহনাফের মায়ের ক্ষেত্রেও একই বিষয় দেখা যায়।

ভাড়াটিয়া মনোয়ার হোসেন যখন তার ছেলেকে একটু বেশি ভালবাসতে লাগলেন, খাবার উপহার দিতে লাগলেন তখন স্বাভাবিক ভাবেই মিনুর মায়ের মত তার মনেও সন্দেহের উদ্বেগ দেখা দিল যে নিঃসন্তান মনোয়ার হোসেন যেন শিশু মন সহজে আকৃষ্ট করে সন্তান দাবি না করেন। তাই তিনি আহনাফের সুওরক্ষা বজায় রাখতে স্বামীকে সতর্ক হওয়ার ব্যাপারে বলেছিল।

তাই বলা যায় যে, আহনাফের মায়ের সাথে কাবুলিওয়ালা গল্পের মিনুর মায়ের সাথে এক মায়ের মনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়। যে মা সবসময় তার সন্তানের ব্যাপারে সতর্ক থাকেন। অল্প পরিচিত বা অপরিচিত  কেউ কিছু দিলে অতিরিক্ত আদর সোহাগ করলে তা স্বাভাবিক ভালবাসার সহিত না নিয়া সন্দেহ প্রবন চোখে দেখেন। পাছে কেউ যা কিছু বলুক না কেন তিনি সকল কিছুর উর্ধে নিজ স্বার্থের ন্যায় সন্তান সুওরক্ষার হেতু সকলকে সন্দেহ করেন সতর্ক থাকেন। এই মায়ের মতই আহনাফের মায়ের সাথে মিনুর মায়ের সুন্দর সাদৃশ্য ফুটে উঠেছে।
0 টি ভোট
করেছেন

মিনুর মায়ের প্রকৃতিঃ মিনুর মা অতিশয় সন্তান বাৎসাল্য হলেও প্রতিটি মায়ের মনে সন্তানের প্রতি এক বিশেষ টানের জন্য অন্যের উপর কিছুটা সন্দেহ প্রবণ। প্রতিটি মা ভাবেন কেউ তার সন্তানকে আদর সোহাগ দিয়া ভূলিয়ে তার থেকে আলাদা করে নিয়ে যেতে পারে। অথবা ছোট শিশুকে আদর ভালবাসা দিয়া তাকে হয়ত তুলে নিয়া যেতে পারে। কাবুলিওয়ালা গল্পে মিনুর মাও এর ব্যতিক্রম ছিলেন না। কাবুলিওয়াকে আগে থেকে চিনলেও তার সম্পর্কে বেশি কিছু জানতেন না। হঠাত এমন অপরিচিত বা অর্ধঃপরিচিত লোক বার বার কোন শিশুকে খাবার দিবে, আদর সোহাগ দিবে? নিশ্চয় কোন গোপন মতলব আছে। এই ভেবে মিনুর মা সদা সতর্ক থাকতেন আর তাই তিনি লেখককে চোখে চোখে দেখে একটু খোজ খবর নিতে বলেছিলেন যাতে তাহার সন্তানের সুরক্ষা বজায় থাকে। এক কথায় মিনুর মা কাবুলিওয়ালাকে সন্দেহ করতেন।

উদ্দিপকে আহনাফের মায়ের ক্ষেত্রেও একই বিষয় দেখা যায়।

ভাড়াটিয়া মনোয়ার হোসেন যখন তার ছেলেকে একটু বেশি ভালবাসতে লাগলেন, খাবার উপহার দিতে লাগলেন তখন স্বাভাবিক ভাবেই মিনুর মায়ের মত তার মনেও সন্দেহের উদ্বেগ দেখা দিল যে নিঃসন্তান মনোয়ার হোসেন যেন শিশু মন সহজে আকৃষ্ট করে সন্তান দাবি না করেন। তাই তিনি আহনাফের সুওরক্ষা বজায় রাখতে স্বামীকে সতর্ক হওয়ার ব্যাপারে বলেছিল।

তাই বলা যায় যে, আহনাফের মায়ের সাথে কাবুলিওয়ালা গল্পের মিনুর মায়ের সাথে এক মায়ের মনের সাদৃশ্য পাওয়া যায়। যে মা সবসময় তার সন্তানের ব্যাপারে সতর্ক থাকেন। অল্প পরিচিত বা অপরিচিত  কেউ কিছু দিলে অতিরিক্ত আদর সোহাগ করলে তা স্বাভাবিক ভালবাসার সহিত না নিয়া সন্দেহ প্রবন চোখে দেখেন। পাছে কেউ যা কিছু বলুক না কেন তিনি সকল কিছুর উর্ধে নিজ স্বার্থের ন্যায় সন্তান সুওরক্ষার হেতু সকলকে সন্দেহ করেন সতর্ক থাকেন। এই মায়ের মতই আহনাফের মায়ের সাথে মিনুর মায়ের সুন্দর সাদৃশ্য ফুটে উঠেছে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

5 জন সক্রিয় সদস্য
0 জন নিবন্ধিত সদস্য 5 জন অতিথি
আজকে পরিদর্শন : 3262
...