"রসায়ন" বিভাগে করেছেন
পানি ও লবণের দ্রবণ থেকে পানি ও লবণ উভয়ই পৃথকীকরন পরীক্ষা

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন
বিষয়ঃ লবণ ও পানির দ্রবন থেকে পানি ও লবন উভয় পৃথকীকরণ 

তত্ত্বঃ পানির চেয়ে লবণের স্ফুটনাংক অনেক বেশি। ১০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানি বাষ্প হয়ে উড়ে যায় কিন্তু লবনের স্ফুটনাংক অনেক বেশি হওয়ায় লবন নিচে পড়ে থাকে। 

বাষ্পকে শীতল করলে তা পুনরায় তরল পানিতে পরিনত হয়।

প্রয়োজনীয় উপকরনঃ বীকার, ফ্লাস্ক বা ফ্লোরেন্স ফ্লাস্ক অথবা ওয়াশ বোতল, স্টান্ড, কনডেনসার বা শীতলীকারক টিউব, কর্ক বার্ণার ত্রিপদী স্টান্ড ইত্যাদি।

কার্যপদ্ধতিঃ-

১। একটি বীকারে লবন ও পানি নিয়ে দ্রবন তৈরি করি।

২। ফ্লাস্ক বা  ওয়াশ বোতলে দ্রবন দিয়ে দিয়ে প্রস্তুত করি। সাধারন ফ্লাস্ক হলে তাতে দ্রবন দেওয়ার পর কর্ক দিয়ে মুখ আটকে দেই 

২। ত্রিপদী স্টান্ডের উপর ফ্লাস্ক রেখে

এবার কর্কের মধ্য দিয়ে বিশেষ বাকানো কাচনল প্রবেশ করাই।

৩। একটি স্টান্ডের সাহায্য একটি কনডেনসার বা শীতলীকারক যন্ত্রটি কাচ নলে আটকায়। 

৪। কনডেনসার এ নিচের নল থেকে পানি প্রবেশ করানোর ব্যবস্থা করি।

৫। এবার কনডেনসারের অপর প্রান্ত আউটলাইন নল জুড়ে একটি বীকারে পানি ধরার ব্যবস্থা করে আটকে রাখি।

৬। ত্রিপদী স্টান্ডের নিচে বার্ণার রেখে বার্নারের সাহায্য ফ্লাস্কে তাপ দেই।

পর্যবেক্ষনঃ কিছুক্ষন পর পানি ফুটে বাষ্প হওয়া শুরু করবে। এই বাষ্প কাচ নল বেয়ে কনডেনসারের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় কনডেসারের গায়ে বাষ্প শীতল হয়ে পুনরায় পানিতে পরিনত হয়ে বীকারে জমা হবে।

এভাবে ফ্লাস্কের সমস্ত পানি বাষ্প হয়ে পুনরায় কনডেনসার এ শীতল হয়ে বীকারে জমা হবে আর লবন বাষ্পীভূত না হওয়ায় ফ্লাস্কে গুড়া গুড়া মত পাওয়া যাবে।

ফলাফলঃ ফ্লাস্কে লবনের গুড়া পাওয়া যাবে এবং বীকারে পানি পাওয়া যাবে।

সতর্কতাঃ

১। ফ্লাস্কের মুখ ও কনডেসারের নল ভালভাবে আটকাতে হবে যাতে কোন ছিদ্র বা ফাকা না থাকে।

২। ধীরে ধীরে তাপ দিতে হবে যাতে পানি উপচে না পড়ে।

৩। সাবধানে বার্নার জ্বালাতে হবে, পাশে কোন দাহ্য বস্তু রাখা যাবেনা।

৪। কনডেসারের নিচের প্রবেশ নল থেকে শীতল পানির প্রবাহ করাতে হবে।

৫। সার্বিক কাজে সতর্ক থাকতে হবে যাতে কোন রকম অসতর্ক ধাক্কায় সিস্টেম ভেঙ্গে না পড়ে।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

5 জন সক্রিয় সদস্য
0 জন নিবন্ধিত সদস্য 5 জন অতিথি
আজকে পরিদর্শন : 2506
...