এসাইনমেন্ট এর কভার পেজ ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

সকল এসাইনমেন্ট এর উত্তর এখানে দেওয়া হবে, সাথে থাকুন

0 টি ভোট
"নেটওয়ার্ক" বিভাগে করেছেন (15 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (602 পয়েন্ট)

ডিস কেবলঃ আমরা টিভি দেখতে ডিস লাইন ব্যবহার করি। এই ডিস লাইন সাপ্লাই হয় এক ধরনের বিশেষ কেবল দ্বারা। ডিসের এই বিশেষ কেবলের নাম হচ্ছে কো-এক্সিয়াল কেবল। থিউরি অনুযায়ী এই কেবল তৈরি হয় কয়েকটি বিশেষ লেয়ারে। সবচেয়ে ভেতরের অংশকে বলে কোর। এই কোর তৈরি হয় মূলত কপার বা তামা ধাতু দিয়া। কিন্তু বাস্তবে বাজারে যে কেবল পাওয়া যায় তা পুরাপুরি তামা নয়, এতে লোহা ভেজাল হিসাবে থাকে। এই কোর-ই হচ্ছে মূল ডিস সিগনাল বাহক। এর ভেতর দিয়া ডিস এন্টেনা স্যাটেলাইট  থেকে ধারনকৃত বিভিন্ন চ্যানেলের অডিও ভিডিও সিগনাল প্রবাহিত হয়ে টিভি সেটে পৌছায় তখন আমরা ছবি দেখতে পাই । এই কোর যেন নষ্ট না হয় এবং বাইরের অন্য কোন পরিবাহক দ্বারা সিগনাল যাতে নষ্ট না হয় সেজন্য কোরকে ঘিরে একটি পুরু অন্তরক পদার্থ থাকে। কোর থেকে কিছু তড়িত চৌম্বকীয় বিকিরন সৃষ্টি হয়। তাই যথাসম্ভব তা কোরেই ধরে রাখতেও সহায়তা করে এই অন্তরক পদার্থ। এই অন্তরক পদার্থের বাইরে চারপাশ ঘিরে একটি এলুমিনিয়াম জালি রাখা হয়। এই এলুমিনিয়াম জালি বাইরের তড়িৎ চৌম্বকীয় আবেশসহ নানা বিকিরন কোরের সিগনালকে পরিবর্তনের হাত থেকে বাচায়। এই জালির উপর আবার আরেকটি কভার অন্তরক থাকে। এভাবে তৈরি হয় কো-এক্সিয়াল কেবল।

ডট মেট্রিক্স ইমেজিং পদ্ধতিঃ

image আমরা সাধারনত ক্যামেরা দ্বারা যে ছবি ধারন করি তা দুই প্রকারে। যথা এনালগ ও ডিজিটাল। এই দুই প্রকারের মধ্যে মূল পার্থক্য হচ্ছে একটি সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় পদার্থের পরিবর্তনের ছাপাটি স্থায়ী ভাবে রাখা হয়(এনালগ) আর ডিজিটালে মূলত ছবিকে ভৌত ভাবে রাখা হয়। কিন্তু ক্যামেরাতে ছবি ধারনের মূলনীতি হচ্ছে টার্গেটের স্কানিং। বোঝার সুবিধার জন্য একটি সাদা-কালো ইমেজ কল্পনা করা যাক। ধরুন আপনি একটি বিড়ালের দিকে ক্যামেরা ধরলেন। এখন ক্যামেরা বৈদ্যুতিক ভাবে তার সামনের সমস্ত ছবিকে অতি সুক্ষ ডট বিন্দু উৎপন্ন করবে। এখন ধরুন বিড়ালের দেহে সেই ডট বিন্দুর যে বিন্দুটি সাদা তা থেকে আলো প্রতিফলিত হয়ে ক্যামেরায় পড়বে ফলে ক্যামেরার নীতি অনুযায়ী সেখানে ঐ একই রকম ডট বিন্দু ক্যামেরার আলোক সেন্স অঞ্চলে বিদ্যুৎ তৈরি করবে। আর বিড়ালের যে ডট অংশে কালো সেখান থেকে কোন আলো প্রতিফলিত হবেনা বলে ক্যামেরা সেন্স পর্দায় সেই ডট বিন্দু স্থানে কোন বিদ্যুৎ তৈরি হবেনা। এভাবে ডিজিটাল ক্যামেরা কোন স্থানে বিদ্যুৎ আর কোন স্থানে বিদ্যুৎ নাই তা বাইয়ারী অনুযায়ী রেকর্ড করে, বাইনারী ০ মানে বিদ্যুৎ নাই আর ১ মানে বিদ্যুৎ আছে। এভাবে অসংখ্যা ১০১০১০১০.............. বাইনারী মান পাওয়া যায়। এবার এই বাইনারীকে এনালগ বিদ্যুৎ পালসে রুপান্তর করা হয়। নিচের  চিত্রে সাইন ওয়েভ পালস দেখানো হল।

image

প্রেরক সিস্টেমঃ ক্যামেরা থেকে যে বাইনারী মান অনুযায়ী বৈদ্যুতিক পালস পাওয়া গেল তা বেশ ক্ষুদ্র সিগনাল। তাই দূরে এটি প্রেরন করা যায়না। প্রেরন করতে একে এমপ্লিফায়ার দ্বারা বিবর্ধিত করে বৃহৎ পালসে রুপান্তর করা হয়। এটি করতে হয় বহু স্টেজ যুক্ত ট্রানজিস্টর বর্তনী দ্বারা। এবার এই সিগনালকে কো-এক্সিয়াল কেবলে কানেক্ট করে সাপ্লাই করা হয়।

কো-এক্সিয়াক কেবলে সিগনাল বহনঃ কো-এক্সিয়াল কেবলের কোরে যখন সিগনাল প্রদান করা হয় তখন এই সিগনাল সাইন ওয়েব এর মত অন অফ অর্থাৎ বিদ্যুৎ আছে নাই আছে নাই পালস বা ফ্রিকোয়েন্সী হিসাবে সরল ছন্দিত স্পন্দনে কাপতে কাপতে অগ্রসর হয়। অর্থাৎ কেবলের ভেতর দিয়া বিদ্যুতের ইলেক্ট্রন গুলো সরল ছন্দিত স্পন্দনে সাইন ওয়েভের মত কাপতে থাকে। এই কম্পনের উভয় পাশের বিস্তারকে পজিটিভ ও নেগেটিভ সিগনাল বলে। আর মাঝ বরারবর নিরপেক্ষ অঞ্চলটি ০ জিরো ভোল্ট থাকে। ফলে কেবলের অপর প্রান্ত যা টিভিতে লাগানো থাকে সেখানে প্রেরক কতৃক যেভাবে ছবির বাইনারী মানকে স্পন্দন করিয়ে প্রেরন করা হয়েছিল। টিভি সেটের গ্রাহক প্রান্তে হুবুহ সেই স্পন্দন বিপরীত ভাবে বাইনারী পালস সৃষ্টি করে। এই পালস টিভির গ্রাহক অসিলেশন  স্টেজে সামান্য বিদ্যুৎ আছে নাই ,আছে নাই পালস তৈরি করে যা আমরা ক্যামেরাই ধারন করেছিলাম তার অনুরুপ।

ডিসের তারে বিদ্যুতের অস্তিত্বঃ উপরে ব্যাখ্যা থেকে দেখা যায় যে, ডিসের তারে ক্ষুদ্র বৈদ্যুতিক পালস থাকে। এটি সামান্য বিদ্যুৎ প্রবাহ। তাই এই বিদ্যুৎ আলাদা ভাবে কাজে লাগানো যায়না। তবে প্রেরক যন্ত্র যখন সিগনাল প্রেরন করে তখন তার সাথে কিছু বাহক বিদ্যুতের ভোল্ট চলে আসে। যেখারনে হাত লাগলে মাঝে মাঝে অস্তিত্ব বোঝা যায়। কিন্তু এটি শুধু মাত্র উচ্চতর সামান্য ভোল্ট । এতে ব্যবহার যোগ্য কোন এম্পিয়ার প্রবাহ এবং শক্তি থাকেনা। কাজেই এক কথায় বলা যায় এই কেবলে তাড়িৎ চুম্বকীয় পালস ছাড়া কার্যকারী বিদ্যুৎ থাকেনা।

ছবি ও শব্দ পুনরায় উৎপাদনঃ প্রথমে বর্ণিত ক্যামেরার মত এটিও দুই প্রকারের যথা এনালগ ও ডিজিটাল।

এনালগ অর্থাৎ পিকচার টিউবঃ কেবল থেকে ক্ষুদ্র সিগনাল বা বিদ্যুৎ পালকে অসিলেশন করে তীব্রতা বাড়ানো হয়। এর পর একে শক্তিশালী এমপ্লিফায়ার স্টেজে দেয়া হয়। টিভি যেহেতু পৃথক বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, তাই এমপ্লিফায়ার এই অতিরিক্ত বিদ্যুৎ উক্ত সিগনালের সাথে মিশিয়ে হুবুহ কিন্তু অতি বৃহৎ সিগনাল অর্থাৎ বাইনারী কোড সৃষ্টি করা হয়। এর পর তা একটি ইলেক্ট্রন গান দিয়া পিকচার টিউবের ভেতর ছুড়ে দেয়া হয়। পিকচার টিউবের গায়ে এক ধরনের ফসফর দানার প্রলেপ থাকে। এর কাজ হচ্ছে এর উপর যদি ইলেক্ট্রন এসে পড়ে তবে সেই স্থানে আলো উৎপন হয়। এখন পুর্বের ক্যামেরা অংশের কথা মনে করুন, যেখানে ছবিকে সাদা কালো ডট মেট্রিযে ভাগ করা হয়েছিল। অর্থাৎ সাদা ডট থেকে বিদ্যুৎ তৈরি হয় আর কালো ডট থেকে হয়না। কাজেই কালো ছিল বাইনারী ০, আরা সাদা ছিল বাইনারী ১। এখন পিকচার টিউবে সাদা ডটের বিদ্যুতের ইলেক্ট্রন এসে পড়লে আলো হবে আর কালো ডট থেকে কোন ইলেক্ট্রন না আসাই তা কালই রয়ে যাবে। ফলে সাদা কালো আলো দ্বারা বিড়ালের ছবি ফুটে উঠবে। অন্য দিকে অডিও পালস ও একই ভাবে স্পিকারের পর্দায় সাদা ডট মানে ইলেক্ট্রন অর্থাট বিদ্যুৎ ধাক্কা দেবে। আর কালো ডট মানে কোন বিদ্যুৎ নাই তাই ধাক্কা দেবে না। এভাবে পর্দা কাপতে থাকবে ফলে কথা শোনা যাবে। উল্লেখ্য যে শব্দ সৃষ্টি হয় কণ্ঠনালীর কম্পন দ্বারা। সেই হুবুও কম্পন স্পিকারের পর্দায় সৃষ্টি হওয়ার মাধ্যমে শব্দের সৃষ্টি হবে।

*ছবি গুলো কিছুক্ষন পর আপডেট করা হবে। 

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

3 Online Users
0 Member 3 Guest
Today Visits : 7457
Yesterday Visits : 5791

বয়স গণনা করুন





     বয়স : 0 বছর     
            0 মাস
            1 দিন

প্রয়োজনীয় ক্যালকুলেটর ও কনভার্টার পেজ পেতে এখানে ক্লিক করুন

        

BMI Calculator

                 

Height: (in cm)
Weight: (in kg)

        
...