+1 টি ভোট
"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস এবং নৈতিকতা" বিভাগে করেছেন (389 পয়েন্ট)

image

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (445 পয়েন্ট)

১। কুরাইশদের প্রতি মহান আল্লাহর নানা অনুগ্রহ ও দয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়েছে এ সুরায়। যাহাতে তাহারা মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ হয় এবং  তাহারই ইবাদত করেন।

 মাহে রমজানে আমরা বেশি বেশি কোরআন পাঠ করব। অর্থ বোঝার চেষ্টা করব। সব সময় কোরআনের কথা, আদেশ নিষেধ মেনে চলব। কারণ এ মাসেই সমগ্রহ  আল কোরআন নাজিল হয়েছে। । এই কোরআন মানবজাতির সর্বাঙ্গীণ কল্যাণ ও মুক্তির পথপ্রদর্শক। 

২। সূরা নাছরের অপর নাম সূরা তাওদী।

এ সূরায় রাসুল কারীম (সাঃ) এর ওফাত নিকটবর্তী হওয়ার ইঙ্গিত আছে বিধায় এর নাম তাওদী হয়েছে।

মহান আল্লাহ তায়ালার  এ ফরমান মুসলমানদের এ শিক্ষা দিয়ে আসছে যে, নিজেদের কোন ইবাদাত, আধ্যাত্মিক সাধনা ও দীনি খেদমত করাকে বড় জিনিস মনে না করে নিজের সমগ্র প্রাণশক্তি আল্লাহর পথে নিয়োজিত ও ব্যয় করার পরও আল্লাহর হক আদায় হয়নি বলে মনে করা উচিত। এভাবে যখনই তাহারা কোন বিজয় অর্জনে সমর্থ হবে তখনই এ বিজয়কে নিজেদের কোন কৃতিত্বের নয় বরং মহান আল্লাহর অনুগ্রহের ফল মনে করিবে। এ জন্য গর্ব ও অহংকারে মত্ত না হয়ে নিজেদের রবের সামনে দীনতার সাথে মাথা নত করে আন্তরিক প্রার্থনার সহিত হামদ, সানা ও তাসবীহ পড়তে হবে  এবং তাওবা ও ইসতিগফার পাঠ  করতে থাকবে।


সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর
16 জুন 2020 "প্রতিষ্ঠানিক বই পত্র" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Sharmin Shanu (389 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
0 টি উত্তর
19 অগাস্ট 2020 "ক্যারিয়ার" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Prima (67 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
0 টি উত্তর
20 সেপ্টেম্বর 2020 "কৃষি বিজ্ঞান বই" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Sharmin Shanu (389 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর
8 Online Users
0 Member 8 Guest
Today Visits : 1680
Yesterday Visits : 8512
...