"জীব বিজ্ঞান" বিভাগে করেছেন
ইমবাইবেশন কাকে বলে?

ব্যাপন কাকে বলে?

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন

নিম্নে ব্যাপন ও অভিস্রবনের মধ্যে পার্থক্য উল্লেখ করা হলঃ-


ব্যাপন ইমবাইবিশন
১। উচ্চ ঘনত্বের দ্রবন থেকে কম ঘনত্বের দ্রবনের দিকে পদার্থের(দ্রব) অনুগুলো ছড়িয়ে পড়াকে ব্যাপন বলে। ১। শুষ্ক ও কলয়েড জাতীয় পদার্থ যে প্রক্রিয়ায় জলীয় বাষ্প, আদ্রতা বা পানি শোষন করে তাকে ইমবাইবিশন বলে।
২। পদার্থের অনুগুলো পরিব্যাপ্ত হয় বা ছড়িয়ে পড়ে । ২। পদার্থের অনু বা কলয়েড কণা নয়, দ্রাবক পানি পরিবাহিত হয়।
৩। যে পাত্রে বা স্থানে পদার্থ থাকে তার চারপাশে সমান ঘনত্বে না ছড়ানো পর্যন্ত ব্যাপন চলতে থাকে । ৩। কলয়েড কণাগুলো সম্পৃক্ত অবস্থা প্রাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত ইমবাইবিশন চলে। 
৪। পদার্থের ঘনত্বের চাপের ফলে ব্যাপন ঘটে । এই চাপকে ব্যাপন চাপ বলে। ৪। কলয়েড কণার উপাদানগুলোর শুষ্কতা রোধে পানি গ্রাহী উপাদানের আদ্রতা ধারন মাত্রা প্রশমিত করতে দ্রাবক যে চাপ বা শোষনিক আকর্ষনের ফলে কলয়েড কণার দিকে যায় তাকে ইমবাইবিশন চাপ বলে ।
৫। এটি একটি ভৌত প্রক্রিয়া। ৫।এটিও ভৌত প্রক্রিয়া হলেও রাসায়নিক প্রভাব বিদ্যমান।
৬। ভেদ্য বা বৈষম্যভেদ্য বা অর্ধভেদ্য পর্দা থাকেনা। ৬। কলয়ডাল কণা ও দ্রাবক পানির মধ্যে কোন পর্দা থাকেনা।
৭। যেমনঃ বাতাসে সেন্ট এর সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়া। ৭। যেমনঃ শুষ্ক কাঠ পানি শোষন করে আদ্র হয়। বর্ষাকালে দরজায় খিড়কি লাগাতে যে কষ্ট অনুভূত হয় তা ইমবাইবিশন প্রক্রিয়ায় দরজার কাঠ আদ্র বাতাস থেকে পানি শোষন করে সামান্য ফুলে ওঠা বা প্রসারনের জন্য। 


সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

4 জন সক্রিয় সদস্য
0 জন নিবন্ধিত সদস্য 4 জন অতিথি
আজকে পরিদর্শন : 2106
...