প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন নিবন্ধন বা রেজিষ্ট্রেশন ছাড়াই
0 টি ভোট
"ইন্টারনেট ও ওয়েবসাইট" বিভাগে করেছেন (1.5k পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (602 পয়েন্ট)

আইপি এড্রেস (ip address): ডিভাইস টু ডিভাইস বা কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে যোগাযোগ করার জন্য কোন নেটওয়ার্কে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারকে অদ্বিতীয়তভাবে চিহ্নিত করার জন্য কম্পিউটারে একটি নির্দিষ্ট বিন্যাসে নাম্বার প্রদান করা হয় একে আইপি এড্রেস(ip address) বলে। 

এই আইপি এড্রেস ঐ কম্পিউটারের ঠিকানা নির্দেশ করে। ধরা যাক আপনার কাছে কেউ একজন চিঠি পাঠাতে চাই। এখন সেই চিঠি আপনার কাছে পৌছাতে হলে অবশ্যই চিঠিতে একটি এড্রেস যুক্ত করতে হবে, যেখানে আপনার ঠিকানাসহ আপনাকে চিহ্নিত করার জন্য তথ্য থাকবে। ঠিক তেমনি আপনি যখন কম্পিউটারে ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত হয়ে কোন তথ্য বা ডেটা প্রেরন করেন কারও কাছে। তখন একটি প্রটোকল সার্ভার সেই গ্রাহক কম্পিউটারের ঠিকানা চিহ্নিত করে তার কাছে পৌছে দেয়। ঠিক তেমনি আপনি যখন আপনার ডিভাইস থেকে আমাদের অন্বেষা সাইটে প্রবেশ করেছেন তখন আমাদের সাইটের সার্ভার আপনার রিকুয়েস্ট আমাদের কাছে পৌছে দিয়েছে। কারন আমাদেরও একটি ঠিকানা আছে। 

যেহেতু পৃথিবীতে বহু কম্পিউটার আছে এবং প্রতিদিন বহু কম্পিউটার যুক্ত হচ্ছে তাই একই এড্রেস যাতে দুই কম্পিউটারে না পড়ে, সে জন্য এই আইপি এড্রেস কে কিছু বিশেষ নীতিমালার সাহায্যে কন্ট্রল করা হয়। একে প্রটোকল বলে। ইংরেজী ip হচ্ছে internet protocol । এই প্রটোকলের আবার দুটো ভার্শন আছে। যথা IPv-4 এটি হচ্ছে ৩২ বিট নাম্বার এড্রেস ও IPv-6 এটি হচ্ছে ১২৮ বিট নাম্বার এড্রেস।  

আইপি এড্রেসগুলো মানুষের পাঠ উপযোগী নাম্বার দ্বারা সূচিত করা হয় । যেমন IPv4 এর উদাহরন হচ্ছে 172.16.264.1

এবং IPv6 এর উদাহরন হচ্ছে 2001:db8:0:1234:0:572:8:1 । 

image

পাশের চিত্রে IPv4 ভার্সনের একটি ip address দেখানো

হয়েছে। এখানে মূল আইপি এড্রেস হচ্ছে ১৭২.১৬.২৫৪.১

এবং প্রতিটি নাম্বারে ৮ বিট বাইনারী নোটেশন যুক্ত থাকে। কাজেই চারটি নাম্বারের জন্য এটি ৩২ বিট আইপি এড্রেস।

ডোমেইনঃ আমরা এতক্ষন আইপি এড্রেস সম্পর্কে জানলাম। যেহেতু আইপি এড্রেস সংখ্যাগত নাম্বার এবং ১২৮ বিট এর ক্ষেত্রে কিছু আলফানিউমেরিক হতে দেখা যায় যদিও তা হেক্সাডেসিমাল এর অন্তর্গত। এই নির্দিষ্ট মান ও বিন্যাস কারও সবসময় মনে রাখা সম্ভব নয়। তাই মনে রাখার সুবিধার জন্য এই আইপি এড্রেসকে মানুষের পছন্দ অনুযায়ী নাম দিয়ে আলফানিউমেরিক নাম রাখা হয়। একে ডোমেইন বা ডোমেইন নেম বলে। যেমন আমাদের সাইট anwesa.xyz এটি একটি ডোমেইন। এই নাম আপনার জন্য সহজবোধ্য তথাপি এই নামের অন্তরালে মূল আইপি এড্রেস থাকে। ip protocol এই নাম নিয়ন্ত্রন করে। যেহেতু এটি কোন ওয়েব সাইটের এড্রেস নির্দেশ করে তাই একে এভাবেও সঙ্গায়িত করা যায়, "কোন ওয়েবসাইটের আইপি এড্রেস সংবলিত আলফানিউমেরিক নামকে ডোমেইন বলে" । 


হোস্টিংঃ সাধারণ ভাবে ওয়েবসাইট ওয়েবসার্ভারে রাখাকে হোস্টিং বলে। অর্থাৎ হোস্ট হচ্ছে একটি সুপার কম্পিউটারের মেমরির নির্দিষ্ট অংশ যা ঐ কম্পিউটার বা রিমোট কোন কম্পিউটারের সাথে যুক্ত হয়ে সেই মেমরি অংশকে নিয়ন্ত্রন করা যায়। তবে ব্যপক অর্থে হোস্ট হচ্ছে একটি সুপার কম্পিউটার বা সার্ভারের অংশ যে অংশ নিজেই একক সার্ভার রুপে কাজ করে। এখানে কোন ওয়েবসাইটকে নিয়ন্ত্রন করার জন্য এবং বিভিন্ন কন্টেন্ট রাখা ও ব্যবস্থাপনা করার জন্য কতগুলো সফটওয়ার এর সমন্বয় থাকে। আর এই স্পেসে ওয়েব সাইট রাখাকে বলা হয় হোস্টিং। তাই বলা যায় হোস্টিং হচ্ছে, কতকগুলো সফটওয়ারের সমন্বয়ে কোন সুপার কম্পিউটারের নির্দিষ্ট অংশ যেখানে ওয়েবসাইট রেখে পরিচালনা করা যায়।

হোস্ট কম্পিউটারটি ২৪ ঘন্টাই এমনকি বছরের পর বছর অন করা থাকে এবং সবসময় অনলাইনে যুক্ত থাকে। বড় কোন অসুবিধা ব্যতিত এই হোস্টিং কম্পিউটার অফ করা হয়না। 

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

+2 টি ভোট
1 উত্তর
02 জুলাই 2020 "বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Waruf (3k পয়েন্ট)

10 Online Users
0 Member 10 Guest
Today Visits : 2008
Yesterday Visits : 7061
Total Visits : 3694512

বয়স গণনা করুন





     বয়স : 0 বছর     
            0 মাস
            1 দিন
...