"ধর্ম ও আধ্যাত্মিক বিশ্বাস এবং নৈতিকতা" বিভাগে করেছেন

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন
মাযহাব অর্থ হচ্ছে ফিকহ বা ব্যবহার্য্য শাস্ত্র। সোজা ভাবে বলতে গেলে একজন মুসলমান কিভাবে তার দৈনন্দিন জীবন নির্বাহ, চরিত্র গঠন, শাসন, সমস্যা সমাধান সমাজ সেবা, নাগরিক দায়িত্ব ইত্যাদি পালনের শাস্ত্রীয় নিয়ম। নবী (স) এর সময় শুধু নবীজির কথা ও নিয়ম অনুয়ায়ী সকলেই জীবন যাপন করতেন তাই একটাই মাযহাব বলা যায়। কিন্তু নবী (স) এর  পর অনেক মাযহাব সৃষ্টি হয়।  বানী লেখকগন তাদের মতামত অনুয়ায়ী নীতিশাস্ত্র প্রণয়ন করতেন ফলে প্রত্যেক লেখক এক একজন মাযহাব হয়ে ওঠেন। আবার খোলাফায়ে রাশেদিন এর চার খলিফাও চার মাযহাব। কারন ততকালীন সময়ে ইহাদের কাছ থেকে সাধারন মানুষ সমস্যার সমাধান নিত।  কজেই ইসলামী জ্ঞান ও জীবন নির্বাহে এই মাযহাবের গুরুত্ব আছে। আম্মান সম্মেলনে ৮ মাযহাবকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে।  একজন সাধারন মানুষ যেহেতু ধর্মের বিধিমালা ভাল জানেন না তাই তিনি যেকোন এক মাযহাব অনুসরন করে ধর্মীয় বিধান মতে চলতে পারেন। 

কিন্তু এটি মোটেও ফরজ বা আবশ্যক নয়। এটি মূলত যহারা জানেন না, তাহাদের ধর্মে পথে জীবন নির্বাহের সহায়ক মাত্র। তাই কোন ব্যক্তি একটি বা দুটি বা চাইলে সব মাযহাব এর জ্ঞান অর্জন করে চলতে পারেন ।  কিন্রু জ্ঞানীদের জন্য মাযহাব অনুসরন না করলেও চলে। এখানে পাপ পূন্যের ব্যাপার নাই ।  কারন জ্ঞানীগন মূল উৎস কোরআন   ও হাদীস থেকে জীবন বিধান শিখে নিতে পারেন। এছাড়া নানা ফিকহ শাস্ত্র পড়েও জ্ঞান অর্জন করে মঙ্গলজনক বিধান পালন করে চলতে পারেন। এখানে কোন বাধ্যবাধকতা নাই।  এটী শুধু মাত্র নীতি বা ব্যবহার শাস্ত্র কথা মাত্র।  

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

6 জন সক্রিয় সদস্য
0 জন নিবন্ধিত সদস্য 6 জন অতিথি
আজকে পরিদর্শন : 2562
...