এসাইনমেন্ট এর কভার পেজ ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

সকল এসাইনমেন্ট এর উত্তর এখানে দেওয়া হবে, সাথে থাকুন

0 টি ভোট
"প্রেম ভালবাসা ও বন্ধুত্ব" বিভাগে করেছেন (561 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (602 পয়েন্ট)
কথায় বলে প্রেম ভালবাসার কোন বয়স নাই। তবুও সূক্ষভাবেবিচার করলে , ভাল মন্দ, বিজ্ঞান, সাইকোলজিক্যাল ভাবে কিছু বয়স নির্ধারন করা যায় বৈকি।

সাধারনভাবে ৯-১২ বছর বয়সের ভেতর মানব মনে আবেগ অনুভূতি তথা ভালবাসার ক্রিয়া ঘটতে থাকে। রাগ বিরাগ আবেগ অনুভূতি এ সময় শুরু হয় বলে মনে করেন বিজ্ঞানী ও সি=আইকিয়াট্রিক বিজ্ঞানীগন। 

বিজ্ঞান মতে মতে এই বয়স হচ্ছে বয়ঃসন্ধিকাল। এ সময় থেকে মানব শরীরে বিভিন্ন হরমোন ক্ষরন ও সেকেন্ডারী সেক্স্য্যুল গঠন শুরু হয়। এই হরমোনের প্রভাবে শারীরিক, মাসসিক পরিবর্তন ঘটে। বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আবেগ আকর্ষন তথা প্রেমাবেগ শুরু হয়। এবং এটি মোটামূটি ৫০-৬০ বছর পর্যন্ত চলে। যদিও এর পরেই হঠাত থেমে যায়না কিন্তু যতটুকু চলমান থাকে তাকে আর ধরা হয়না। 

এখন ১২ বছর বয়সে যেহেতু পূর্ণাঙ্গভাবে প্রেমাবেগ আসে তাই এই বয়স থেকেই  ছেলেমেয়েরা প্রেমে পড়েন। তবে পরিবেশ ও ছেলে মেয়ে এক সাথে মেলা মেশা , ধর্মীয় অনুশাসন ইত্যাদি দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আরও বিলম্ব হতে পারে। 

কিন্তু একটি ব্যাপার হচ্ছে শুরুতেই কি প্রেম করা বা প্রেমে পড়া বা প্রেমাবেগকে কাজে লাগিয়ে বাস্তবে চলা কি ঠিক? 

যেহেতু ১২ বছরের দিক হচ্ছে শুরু। তাই এ সময়ে যতই আবেগ আসুক না কেন প্রেমে পড়া ঠিক নয়। এসময়ই হরমোন গুলো সবে কাজ করা শূরু করেছে তাই অনুভূতি কিছুটা বেশিই থাকে । যেহেতু আগে এ অনুভূতি ছিলনা, তাই নতুন পাওয়া অনুভূতির জোয়ারে বেশির ভাগ ভূল হয়। সির্ধান্তে ত্রুটি থাকে। এছাড়াও এসময় শারীরিক গঠনও পূর্ণতা পায়না। মানুষ ২৪ বছর পর্যন্ত বড় তথা উচ্চতাই বৃদ্ধি হয়। কাজেই এই সময়কে বলা হয় একদম কাছা বয়স। এই বয়সে শারীরিক চাপ। বা হরমোন জনিত চাপ থাকে দেহের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে ঐ সময়ই প্রেমের ফলাফল তথা যৌনতা, সন্তান সৃষ্টি বা ধারন ক্ষমতা গঠন করার জন্য শারীরিক অন্য কাজ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে শরীর তাড়াতাড়ি নষ্ট বা ভেঙ্গে পড়তে পারে। উচ্চতা বৃদ্ধি রহিত হয়ে যায়। মস্তিষ্কের নিউরন সৃষ্টি বাধাপ্রাপ্ত হয়ে যায় ফলে মানসিক বিকাশ, বুদ্ধি বিচার ইত্যাদি শক্তি আর বৃদ্ধি পায়না। এ সময় শারীরিক তাড়নার জন্য হঠাত চেহারায় কিছুটা সৌন্দর্য প্রকাশ পাই কিন্তু তা স্থায়ী হয়না। অনেকটা এমন যে কম বয়সের গাছের কাঠ দিয়া আসবাব বানালে বেশীদিন থাকেনা। পোকা লাগে। তেমনি শারীরিক পূর্নতা বা পরিপক্কতা না আশায় প্রথম দিকে কিছুদিন সুঠান পরিপূর্নতা দেখাবে কিন্তু তা অচিরেই বিনষ্ট হয়ে যায়।

এছাড়া সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ে মেয়েদের শরীরে। কারন এই সময়েই মূলত তাদের দেহের গর্ভাশয়ের গঠন শূরু হয় মাত্র তাই তাড়াতাড়ী দুর্বল হয়ে যাবে। সন্তান ধারন করার পর বয়সের ছাপ চলে আসে দেহে। এ কারনেই অল্প বয়সে প্রেমে পড়া ঠিক নয়। শারীর বিজ্ঞান অনুযায়ী অনেক বিজ্ঞানী বলেন যে ছেলেদের জন্য অন্তত ২৫-২৬ বছর এবং মেয়েদের জন্য ২১-২৪ বছর পর প্রেম বা বিয়েতে মত দেয়া উচিত। যদিও এরও কিছু আগে হলে বৃহত্তর সমস্যা হয়না।যে কারনে সরকারিভাবে ছেলে মেয়ে যথাক্রমে ২১ ও ১৮ নির্ধারন করা হয়। কিন্তু জীবনের পূর্ন বিকাশ সর্বোচ্চ বয়স পর্যন্ত সুস্থ্য থাকা জীবনকে পূর্ন ভাবে উপভোগ করতে চাইলে ২৫ এর পরেই প্রেমাবেগ জীবনে পদার্পন করা উচিত। 

তবুও এটি নিয়া পরিবেশ ও ভৌগলিক অবস্থানগত মতভেদ রয়েছে। এক এক ভৌগলিক অঞলে মানুষের জীবনে ম্যাচিউরিটি আসার সময় ভিন্ন হতে পারে। 

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
0 টি ভোট
1 উত্তর
07 জুলাই 2019 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন উর্বশী উষা (561 পয়েন্ট)
0 টি ভোট
1 উত্তর
–1 টি ভোট
1 উত্তর

10 Online Users
0 Member 10 Guest
Today Visits : 4809
Yesterday Visits : 7446

বয়স গণনা করুন





     বয়স : 0 বছর     
            0 মাস
            1 দিন

প্রয়োজনীয় ক্যালকুলেটর ও কনভার্টার পেজ পেতে এখানে ক্লিক করুন

        

BMI Calculator

                 

Height: (in cm)
Weight: (in kg)

        
...